রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০

কবিতা: অরুণ পাঠক




সোনার পাত্র

মাঝখানে খড় আর চারদিকে অদ্ভুত পিপাসা
তারও আগে বাতাসের যাতায়াত ছিল
বিদ্যুতের মতো লাল অস্পৃশ্য কামনা ছিল
চোখের আয়তাকার ঘরে ছিল ক্ষুৎকাতরতা
এখন দৃশ্যহীন জলে গুলে পড়ছি জ্যোৎস্নার মতো
তোমার সোনার পাত্র উপচে ওঠা দেহখানি
আদরে মোহন হয়ে উঠছে। দিঘির নীরব রঙে
গৃহিনীর চাঁদ অফুরান টেনে আনছে শ্বেত সহবত
আমি এখনও আমার মতো
পৃথিবীর আলেয়াকে আগুনের সহমর্ম দিয়ে বেঁচে আছি


মুদির দোকান

এইভাবে ছোট ছোট হারানো দুয়ারে ফিরে এসে
আমি দেখি জগৎ তাহার মুখ খুলে গান গায়
বন্ধু অক্টোপাস কোথা থেকে আসে, সমুদ্র জানে না
গলিত নুনের চিতা ডেকে আনে আকাশের অন্য গাঙবাসী
কাব্য শুধু মানুষের নয়, অনেক হারানো কীট, গুল্ম
ব্যথিতের জীবন তো কবিতা হয়ে গেছে
সে-সব সামান্য দেখা স্বর্গের পারিজাতসম
তোমার কুশল পায়ে আত্মনিবেদন
ঝরে পড়া রঙের আদরে সে সাধু বাতুল হয়ে গেল
যতই হারিয়ে যাই আকাশ প্রসন্ন তত
পৃথিবী উদাত্ত মুখে খুলে রাখে সমুদ্র সংলগ্ন একটি
মুদির দোকান 


ছবি: সূচনা পাঠক 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

কবিতা

সম্পাদকের কথা

দ্বিতীয় বর্ষ  ।। অষ্টম সংখ্যা ।। মার্চ ২০২২   খুব অসহায় লাগছে এবার। আমাদের ডান পাশে ধস। বায়ে গিরিখাত। মাথায় বোমারু। পায়ে পায়ে হিমানীর ব...