বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০২২

সম্পাদকের কথা


দ্বিতীয় বর্ষ  ।। অষ্টম সংখ্যা ।। মার্চ ২০২২


 খুব অসহায় লাগছে এবার। আমাদের ডান পাশে ধস। বায়ে গিরিখাত। মাথায় বোমারু। পায়ে পায়ে হিমানীর বাঁধ। আমরা জানি। কিন্তু আমাদের বেঁধে বেঁধে রাখার জন্য কবিতা ছিল। কবিতা কী করে? সে প্রশ্ন বার বার মনে এসেছে। কিন্তু বিভিন্ন প্রেক্ষিতে তার জবাবও পেয়েছি। যেকোনও সামাজিক-রাষ্ট্রিক নিপীড়ন লাঞ্ছনার প্রতিবাদে কবিকে তলব করা হয়েছে শেষ পর্যন্ত। কবিতাই ধার্মিকের ঢাল অধার্মিকের তলোয়ার। নিজেকে লুকানোর গুপ্তগুহা। রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন —
'এসো যুগান্তের কবি
আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে
দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে;
বলো, 'ক্ষমা করো'—

হ্যাঁ, সবাই এখন ব্যস্ত 'কবিরা কোথায়'?

যখন সত্যিই কারোর কিছু করার থাকে না তখনই কবির প্রকৃত প্রয়োজন হয়। এখন সেই সময়। টিমটিমে জ্যোৎস্নার আলোয় মৃদুমন্দ বসন্ত বাতাসে সুমিত কণ্ঠে ছন্দোচর্চা না করে কবির এখন সময় হয়েছে ক্ষমা চাওয়ার। ঠিক যেমন এর আগে আগেও কবি করেছেন। পৃথিবীতে দুর্দিন যখনই ঘনিয়ে এসেছে ঠিক তখনই। 

1 টি মন্তব্য:

কবিতা

সম্পাদকের কথা

দ্বিতীয় বর্ষ  ।। অষ্টম সংখ্যা ।। মার্চ ২০২২   খুব অসহায় লাগছে এবার। আমাদের ডান পাশে ধস। বায়ে গিরিখাত। মাথায় বোমারু। পায়ে পায়ে হিমানীর ব...