শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

ধারাবাহিক গদ্য : দীপক হালদার

 





ডায়মন্ড হারবারের সাহিত্যচর্চার ইতিবৃত্ত 






তিন .

গতি নিত্য প্রবহমান ।কখনো তা দ্রুতগামী আবার কখনো বা তার গতি মন্থর, শ্লথ।সাহিত্যচর্চার ধারায়ও এর প্রতিচ্ছবি বিদ্যমান ।

পন্ডিত মহেন্দ্রনাথ তত্ত্বনিধির তিরোধানের পর তাঁর কনিষ্ঠপুত্র বলাইচাঁদ হালদার দীর্ঘদিনধরে ডায়মন্ডহারবার হিতৈষী সম্পাদনা ও প্রকাশনার কাজে যুক্ত ছিলেন ।সাতের দশকেও ডায়মন্ডহারবারেরপুরাতন বাজার এলাকায় ডায়মন্ডহারবার হাইস্কুলের নিকটবর্তী হিতৈষী প্রেস থেকে ডায়মন্ডহারবার হিতৈষী প্রকাশিত হতে দেখা গেছে ।কিন্তু বলাইবাবুর  প্রয়াণের পর ডায়মন্ডহারবার হিতৈষীর প্রকাশ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় ।

পন্ডিত মহেন্দ্রনাথ তত্ত্বনিধির জ্যেষ্ঠপুত্র হরিপদ হালদার ডায়মন্ডহারবার হিতৈষীর সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন না বলে জানা যায় ।

তবে তিনি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রভাবে 'সেবক' নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করতেন ।তাঁর পরলোক গমনের সাথে সাথে সেবকের প্রকাশ বন্ধ হয়ে যায়।

            এরপর ঊনিশ শ তেষট্টি খ্রিস্টাব্দে ডায়মন্ডহারবারে জন্ম গ্রহণ করে আরও একটি সংবাদ- সাহিত্য পত্রিকা, নাম 'দখিনা '।সম্পাদনা করতেন গননাথ মন্ডল।সাতের দশক থেকে আটের দশকে আসার পথে তার গতিপথ মাঝে মাঝে রুদ্ধ ও মন্থর হয়েছে।কালের নিয়মে একসময় তা ও বন্ধ হয়ে যায় নয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে ।যদিও এর বেশ কিছুদিন আগে গননাথবাবু পরলোকগামী হয়েছেন।তবে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র শ্রীমান দীপক মন্ডল বহুদিন ধরে পত্রিকার প্রকাশ সচল রেখেছিলেন ।দখিনার বিশেষ বিশেষ সাহিত্যসংখ্যা যাঁদের লেখায় ভরে উঠত তাঁরা হলেন----- শিবপ্রসাদ হালদার, সরোজ দাস, শিশির দাস,সত্যেশ্বর চট্টোপাধ্যায়, ইন্দ্রজিৎ পুরকায়স্থ প্রমুখ ।কোনোকোনো সময় এই প্রতিবেদকের কবিতা, গল্প ও স্থান পেত সেখানে ।এসব ছাড়াও থাকত কবি সামসুল হকের কবিতা, অরুণ বসুর কবিতা ইত্যাদি ।

      ঊনিশ শ পঁয়ষট্টি খ্রিস্টাব্দ নাগাদ আত্মপ্রকাশ করে আরও একটি সংবাদ সাহিত্য পত্রিকা ফুটপাত ।সম্পাদক অজয় ভট্টাচার্য সম্পাদিত পত্রিকাটি মোটামুটি নিয়মিত ব্যবধানে প্রকাশিত হত।ওই পত্রিকায় উপরোক্ত লেখককূল ছাড়া দেখা যেত হরেন্দ্রনাথ বসুমল্লিক, অচ্যুত হালদার, অমিট রে ছদ্মনামের আড়ালে অজিত মন্ডল,ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়, বলরাম বাহাদুর, অমিতাভ দত্ত, সুব্রত ভুঁইয়া, রফিক উল ইসলাম প্রমুখের রচনা ।।দীর্ঘ অর্ধশতক পেরিয়েও ফুটপাত অজয়বাবুর জ্যেষ্ঠপুত্রশ্রীমান কিংশুক ভট্টাচার্যের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়ে চলেছিল মূলতঃ সংবাদ পাক্ষিক হিসেবে ।বর্তমানে ফুটপাতের প্রকাশ চোখে পড়েনা।

            ঊনিশ শ আটষট্টি সাল নাগাদ ডায়মন্ডহারবার থেকে পুরোপুরি সাহিত্য পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয় 'বন্দর'।সম্পাদক অচ্যুত হালদার ।পূর্বে উল্লিখিত লেখকগণ ছাড়া বন্দর পত্রিকায় পূর্ণেন্দু ভরদ্বাজ, নির্মলেন্দু গৌতম, কবি ওয়াজেদ আলির লেখাও প্রকাশিত হত।


অচ্যুত হালদার সম্পাদিত বন্দর ডায়মন্ড হারবার থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা, যাকে স্বয়ংসম্পূর্ণ সাহিত্য পত্রিকা বলা যেতে পারে ।সম্পাদক অচ্যুত হালদার শিশু সাহিত্যিক হিসেবে কলকাতার বিভিন্ন কাগজে গল্প, রম্যরচনা লিখে ধীরে ধীরে পরিচিতি লাভ করছেন ।কলকাতা থেকে প্রতিষ্ঠিত লেখকদের লেখা সংগ্রহ করে বন্দর পত্রিকায় প্রকাশ করতেন ।

         এসময়ে ডায়মন্ডহারবারে একটি বিশেষ ঘটনা বেশ উদ্দীপনার সৃষ্টি করে ।সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে নগন্য বলে মনে হলেও ওই ঘটনা কিশোর তরুণ সাহিত্য সেবীদের উৎসাহিত করেছিল।তা হলো, ডায়মন্ডহারবারের নুনগোলা পূজা কমিটির শিউলি নামের শারদ স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ ।যতদূর জানা যায় প্রখ্যাত গান্ধীবাদী নেতা,মন্ত্রী এবং পরবর্তীতে সর্বোদয় আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ চারুচন্দ্র ভান্ডারীর পুত্র বিমল ভান্ডারীর উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায় শিউলি প্রকাশিত হয়।ওই সময়কালে চারুবাবু সপরিবারে নুনগোলায় বসবাস করতেন ।বিমল ভান্ডারী ভালো কবিতা লিখতেন বলে জানা যায় ।মূলতঃ বিজ্ঞাপন জোগাড় স্মারকগ্রন্থের উদ্দেশ্য হলেও এলাকায় বিশেষ সাড়া পড়ে গিয়েছিল ।শিউলিতে নবীন কলমনবিশদের সাথে প্রবীণদের লেখাও যত্নসহকারে ছাপা হতো।বিমল ভান্ডারী ছাড়া শৈলেশ্বর মিত্র,কামদেব শাসমল, অরুণ বসু,অমিতাভ দত্ত, সুব্রত ভুঁইয়া, বলরাম বাহাদুর প্রমুখের লেখাও প্রকাশিত হতো । এই প্রতিবেদকের লেখাও স্থান পেত সেখানে ।নুনগোলা পূজা কমিটি তাদের পঁচাত্তর ও একশো বছরে যে স্মারকগ্রন্থ দুটি প্রকাশ করেছেন, তা অবশ্যই সংগ্রহযোগ্য ।ডায়মন্ডহারবারের পুরনো দিনের অনেক কথা, স্মৃতিচারণা সংখ্যা দুটিকে উজ্জ্বল ক'রে তুলেছে।ওই সমস্ত সংখ্যায় কলকাতার বিখ্যাত ও প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিক কবিদের রচনার পাশাপাশি ডায়মন্ডহারবারের প্রতিষ্ঠিত কবি সাহিত্যিকদের লেখাও প্রকাশিত হয়েছে । ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়, অমিতাভ দত্ত, রফিক উল ইসলাম প্রমুখের রচনা ওখানে বিশেষ মর্যাদায় প্রকাশিত । ওর পরেপরেই ডায়মন্ডহারবারের অন্যান্য পুজো কমিটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ শুরু করে ।

একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা এই যে ছয়ের দশকের অনেকটা সময় ডায়মন্ডহারবারের গার্লস স্কুল রোডের একটি বাড়িতে বসবাস করতেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক প্রফুল্ল রায় । তাঁর অনেক বিখ্যাত গল্প ও উপন্যাস এখানে বসেই রচিত  হয়েছে ব'লে জানা যায় ।

ঊনিশ শ সত্তর খ্রিস্টাব্দে ডায়মন্ডহারবার থেকে প্রকাশিত হয় আরও একটি পত্রিকা ।অমল মাইতির সম্পাদনায় আত্মপ্রকাশ করে সংবাদ পাক্ষিক হীরক বার্তা পত্রিকা ।ঊনিশ শ পঁচাত্তর সালে ফলতা থানার শিবানীপুর থেকে তপন কান্তি মন্ডলের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় দেশ আমার মাটি আমার পত্রিকা । সাহিত্য ও সংবাদ পরিবেশন এ পত্রিকার বৈশিষ্ট্য । কাছাকাছি সময়ে ডায়মন্ডহারবারের লেনিন নগর থেকে অজিত বসুর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় জনতীর্থ নামের পাক্ষিক সংবাদ পত্র । ডায়মন্ডহারবার থেকে এসময় প্রকাশিত হয় ভিন্নধর্মী আরও একটি সংবাদ- সাহিত্য পত্রিকা । পত্রিকার নাম বহ্নিবার্তা ।সম্পাদক জগদীশ প্রামাণিক ও শেখর বেরা।

ঊনিশ শ পঁচাত্তর খ্রিস্টাব্দ ডায়মন্ডহারবারের সাহিত্যচর্চার ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এক সময় । নেহরু যুব কেন্দ্রের আধিকারিক হয়ে ডায়মন্ডহারবারে পা রাখলেন কবি বাসুদেব দেব ।এক সুন্দর সকালে যুগান্তর ও অমৃতবাজার পত্রিকার সাংবাদিক অনল মন্ডল আমাকে নিয়ে হাজির হলেন স্থানীয় নিউটাউন সংলগ্ন তাঁর অফিসে। প্রথম আলাপে তিনি টেনে নিলেন আমাকে তাঁর গভীর অন্তরপ্রদেশে, আশ্রয় দিলেন।আশ্বাস দিলেন সময় পেলেই যেন তাঁর কাছে যাই নির্দ্বিধভাবে। সেই আশ্বাস সাহসী ক'রে তুলেছিল সকাল সন্ধ্যে যখন তখন তাঁর কাছে যেতে । ধীরে ধীরে সুব্রত ভুঁইয়া ও বলরাম বাহাদুরের সাথে পরিচয় ঘটে তাঁর । সুব্রত, বলরামদের সাথে আমিও তখন যুক্ত অর্কেস্ট্রা নামক পত্রিকা সম্পাদনার কাজে । যদিও তার আগে এইমুহূর্ত নামের একটি পত্রিকাও সম্পাদনা করতাম আমরা অর্থাৎ সুব্রত, বলরাম ও আমি। ওখানে আশিস ঘোষও বিশেষভাবে যুক্ত ছিলেন । লিখতেন ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়, শংকর প্রামাণিকসহ আরও অনেকে । কিন্তু রেজিস্ট্রেশনের সমস্যা দেখা দেওয়ায় পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায় । শুরু হয় অর্কেস্ট্রা পত্রিকার পদযাত্রা ।

প্রসঙ্গত একটি কথা বলা খুব জরুরী, নইলে সত্যের অপলাপ হবে । এই মুহূর্ত পত্রিকা প্রকাশের মূল উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন সুব্রত ভুঁইয়া এবং বলরাম বাহাদুর । ওঁরাই ওঁদের বদান্যতা দিয়ে আমাকে এই মূহুর্ত র সঙ্গী করে নেন । পরবর্তীতে অর্কেস্ট্রা প্রকাশের সময় অবশ্য আমি ওঁদের সঙ্গেই ছিলাম । কবিতা ও শিল্প- সংস্কৃতি বিষয়ক পত্রিকার শোভন মুদ্রণ পারিপাট্যের দিকে প্রখর নজর রাখতেন বলরাম বাহাদুর । বলরাম বাহাদুরের শিল্পশোভন নান্দনিক দৃষ্টি, সুব্রত ভুঁইয়ার সতর্ক পর্যবক্ষেণ ও অনুমোদনে পত্রিকার রচনাসমূহের নির্বাচন নির্নিত হতো । অর্কেস্ট্রার খ্যাতি তখন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও বিশেষ সাড়া ফেলেছিল । আমেরিকা থেকে অমিয় চক্রবর্তী, ফ্রান্স থেকে লোকনাথ ভট্টাচার্য এবং তাঁর সহধর্মিণী ফ্রাঁস ভট্টাচার্য, জার্মানি থেকে অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত পত্রিকার মান ও রুচি বিচার করে প্রায় নিয়মিত লেখা পাঠাতেন। একবার অলোকরঞ্জন দাশগুপ্তর দ্বারা অনুরুদ্ধ হয়ে বেলজিয়ামের এক কবি  ওয়ের্নার ল্যাম্বারসি তাঁর ভারত ভ্রমণের অঙ্গ হিসেবে ডায়মন্ডহারবারকে বিশেষভাবে রেখেছিলেন । সেই সূত্রে তিনি অর্কেস্ট্রার সম্পাদকমণ্ডলীর সাথে দেখা করতে ডায়মন্ডহারবার এস ডি ও অফিসে আসেন । অন্যতম সম্পাদক বলরাম বাহাদুরের ঠিকানা দেওয়া ছিল ওই এস ডি ও অফিস । ল্যাম্বারসি ওখানে বলরামের সাথে সাক্ষাৎ করেন । দীর্ঘ আলাপ- আলোচনার পর তিনি তিন সম্পাদকের কবিতার অনুবাদ প্রার্থনা করেন, তাঁর কথায় বলরাম সম্মতি জানানোয় তিনি খুশি হয়ে বেলজিয়ামের কবিদের একগুচ্ছ কবিতা পাঠানোর কথা জানান পরবর্তী কালে আমাদের কবিতা তাঁর ঠিকানায় বেলজিয়ামে পাঠানো হয়। তিনিও যথাসময়ে বেলজিয়ান কবিদের কবিতার একটি গুচ্ছ আমাদের কাছে পাঠান। ফিরে গিয়ে কবি অলোকরঞ্জন দাশগুপ্তর কাছে ডায়মন্ডহারবার ভ্রমণ ও সম্পাদকের সাথে দেখা  সাক্ষাতের কথা জানালে অলোকরঞ্জন দারুণ খুশি হয়ে অর্কেস্ট্রাকে পত্র লেখেন।

যেসমস্ত বেলজিয়ান কবিদের নিয়ে অর্কেস্ট্রার anthology of Belgian poets প্রকাশিত হয়েছিল তাঁদের নামগুলো হলো যথাক্রমে------


1.Francoise Delcarte

2. HonsJaspozed

3.William Ciff

4.Lambesy Werner 

5.Christian Hubin

6.Michel Joiret

7.SergeMeurant 

8.Andersen( Christan Erwin)

9.Michel Duprez 

10.Yves Namuz

11.Lue Dellisse 

12.Daniel E. Bruycker 

13.Lodomez Gactan 

14.Francis Dannemark

15.Michel Gilles 

16.Jacqves  Cels

------------------------------------

Collected by  : WERNER  LAMBERSY

এসব ছাড়াও অর্কেস্ট্রাতে লিখতেন প্রখ্যাত শিল্প সমালোচক সন্দীপ সরকার, প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত, শক্তি চট্টোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, তারাপদ রায়, অরুণ বসু, শ্যামলকান্তি দাশ,রতনতনু ঘাঁটি,মদনমোহন বৈতালিক,অনুরাধা মহাপাত্র, শোভন মহাপাত্র প্রমুখ । ওঁরা ছাড়া বাসুদেব দেব, তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, সামসুল হক ও লিখতেন অর্কেস্ট্রার পাতায়। সেসময়ের প্রতিষ্ঠিত কবি প্রাবন্ধিকদের রচনা প্রকাশ করে অর্কেস্ট্রা তখন অনেকের নজর কেড়েছিল। ওঁদের সাথে সাথে সম্পাদক তিন জনের লেখাও থাকত অর্কেস্ট্রার পাতায়। থাকত কবি  রফিক উল ইসলামের লেখাও।


অর্কেস্ট্রা কয়েক বছর পরে প্রয়োজনীয় অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যায় । এ সময় উমাকান্ত ঘোড়ুই ও  শক্তি রায় প্রকাশ করেন ইজেল নামের কবিতা পত্রিকা ।তাও কয়েকটি সংখ্যার পর বন্ধ হয়ে যায় । এক সময় কবি রফিক উল ইসলাম সম্পাদনাসহ প্রকাশ করলেন গ্রামনগর নামে কবিতা ও কবিতা বিষয়ক পত্রিকা।


                                                                         ক্রমশ


ছবি:  বিধান দেব 



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

কবিতা

সম্পাদকের কথা

দ্বিতীয় বর্ষ  ।। অষ্টম সংখ্যা ।। মার্চ ২০২২   খুব অসহায় লাগছে এবার। আমাদের ডান পাশে ধস। বায়ে গিরিখাত। মাথায় বোমারু। পায়ে পায়ে হিমানীর ব...