শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০

মুণীন্দ্র মহন্ত।। অনুবাদ: বাসুদেব দাস


        নামঘর



আঠাশটা হাতি 

সিংহ আঠাশটা 

সাতটি স্তরের সিংহাসন 

দলেদলে কোনো বাধা না মেনে 

নেমে আসে জীবনের কঠিন পথে 

ভক্তি রসের ঝর্ণা 

কীর্ত্তনের সহজ পাঠ 

ভিজিয়ে কোমল করে মাটিময় প্রাণ 

লোহার পিলসুজে 

মেজাঙ্করী পাতার সহস্র প্রদীপ 

জ্বলজ্বল জ্বলজ্বল 

চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়া আলো 

কোষে কোষে আলোর অনুরণন

ভক্তিমার্গের অন্বেষণ 

ক্ষণ অনুক্ষণ

টীকা: মেজাঙ্করী-এক ধরনের দীর্ঘ পাতার গাছ। এর পাতা মুগা-পলু খায় এবং এই পলু থেকে মুগা সুতোর উৎপাদন হয়।


        তৃষ্ণার্ত মাছগুলি


বাজারে মাছ 

আকাশলঙ্ঘী বাজার গৃহে মাছ 

মাছগুলি বাজারে সাঁতার কাটে 

বাজারে সাঁতরে ক্লান্ত হয় না

মাছের বাজার 

নিজের গৃহকোণ 

অন্দর মহল 

মাছগুলি চকচক করতে থাকে 

রূপালি রঙে রঙিণ

রঙের মধ্যেই একটু অন্ধকার 

মাছগুলিকে গিলে 

মাছগুলি ক্লান্ত হয় 

বাজার করে করে 


‘পানিমে মীন পিয়াসী

শুনতে শুনতে হাসি পায়।’


 কবি পরিচিতি -১৯৬৫ সনে জন্ম।কবি মুনীন্দ্র মহন্ত একজন সমাজ কর্মীও।প্রকাশিত কাব্য সংকলন গুলি যথাক্রমে ‘অনুভবর কোলাজ’,’শিলত বাছো ফুল’ এবং ‘পিয়াহত থকা মাছবোর’। 


1 টি মন্তব্য:

  1. খুব সুন্দর কবিতা,অসমীয়া ভাষাতেও সুন্দর ছিল আর বাংলা তেও অনন্য

    উত্তরমুছুন

কবিতা

সম্পাদকের কথা

দ্বিতীয় বর্ষ  ।। অষ্টম সংখ্যা ।। মার্চ ২০২২   খুব অসহায় লাগছে এবার। আমাদের ডান পাশে ধস। বায়ে গিরিখাত। মাথায় বোমারু। পায়ে পায়ে হিমানীর ব...