মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দুটি কবিতা: শিমুল আজাদ




বৈদিক যুগে

ব্রোঞ্চযুগ মাত্রা  পেল গতির বিজ্ঞানে,
মৌর্যযুগের সম্রাট অশোকের কালে-
দেখি  লৌহের উত্থান;
যুদ্ধাস্ত্রে প্রস্তর,  ব্রোঞ্চ কৃষি ব্যবস্থায়।
ধর্মবিশ্বাসে, শিল্পকলায় তার ছাপ-
ভারত ভূমির সমগ্র উত্তরে,
বিবর্তন, অগ্রশীলতার।
জ্ঞানপিপাসুর চিন্তারশ্মি-
কৃষকের ঘরে ঘরে  জেগেছে  জোয়ার।
কর্মস্রোতে, রাজ্য বিস্তারে-
যুদ্ধের  জোগার।
প্রতিভূমে দুর্গের  দেয়ালে-
জনে জনে শানিত তরবার।






উজ্জয়নী পুরাণ

উজ্জয়নীর শাসক যখন স্বয়ং শিব
শান্ত-স্থির, প্রদর্শনে রাজা চন্দ্রসেন।
উৎসাহে কৃষক বালক শ্রীখর 
শুনি শিবমন্ত্র, তন্ময় প্রাণনে-
পৌঁছিলো মন্দিরে; আর উচ্চারিল জ্ঞাত মন্ত্র।
গ্রাম্য বালকের এই দুঃসাহস!
প্রহরীগণ  হেঁচকা টানে শিপ্রাতীরে-
তাকে দিল  ফেলে।
পার্শ্ববর্তী দুই শত্রুরাজ্য-
শাসক রিপুদমন, সিংহাদিত্য
উজ্জয়নী লুণ্ঠনে, 'দূষণ'  দৈত্যের
প্রবল সহায়তায় ভাঙিল-চূরিল;
শিব ভক্তদের পিষিল দুস্তর।
কিন্তু পুরোহিত বৃধি ও বালক শ্রীখরের ডাকে
উজ্জয়নী  প্রেমিক শিব-
স্বয়ং জাগিলো, রক্ষিলো নগর।
রুদ্রসাগর হ্রদের তীরে স্বয়ম্ভুমূর্তি
স্থাপনে পার্বতী আসিলো;
সেই দক্ষিণা মূর্তিতে- বিস্তর ক্ষণ-অনুক্ষণ।



ছবি: বিধান দেব 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

কবিতা

সম্পাদকের কথা

দ্বিতীয় বর্ষ  ।। অষ্টম সংখ্যা ।। মার্চ ২০২২   খুব অসহায় লাগছে এবার। আমাদের ডান পাশে ধস। বায়ে গিরিখাত। মাথায় বোমারু। পায়ে পায়ে হিমানীর ব...