বৈদিক যুগে
ব্রোঞ্চযুগ মাত্রা পেল গতির বিজ্ঞানে,
মৌর্যযুগের সম্রাট অশোকের কালে-
দেখি লৌহের উত্থান;
যুদ্ধাস্ত্রে প্রস্তর, ব্রোঞ্চ কৃষি ব্যবস্থায়।
ধর্মবিশ্বাসে, শিল্পকলায় তার ছাপ-
ভারত ভূমির সমগ্র উত্তরে,
বিবর্তন, অগ্রশীলতার।
জ্ঞানপিপাসুর চিন্তারশ্মি-
কৃষকের ঘরে ঘরে জেগেছে জোয়ার।
কর্মস্রোতে, রাজ্য বিস্তারে-
যুদ্ধের জোগার।
প্রতিভূমে দুর্গের দেয়ালে-
জনে জনে শানিত তরবার।
উজ্জয়নী পুরাণ
উজ্জয়নীর শাসক যখন স্বয়ং শিব
শান্ত-স্থির, প্রদর্শনে রাজা চন্দ্রসেন।
উৎসাহে কৃষক বালক শ্রীখর
শুনি শিবমন্ত্র, তন্ময় প্রাণনে-
পৌঁছিলো মন্দিরে; আর উচ্চারিল জ্ঞাত মন্ত্র।
গ্রাম্য বালকের এই দুঃসাহস!
প্রহরীগণ হেঁচকা টানে শিপ্রাতীরে-
তাকে দিল ফেলে।
পার্শ্ববর্তী দুই শত্রুরাজ্য-
শাসক রিপুদমন, সিংহাদিত্য
উজ্জয়নী লুণ্ঠনে, 'দূষণ' দৈত্যের
প্রবল সহায়তায় ভাঙিল-চূরিল;
শিব ভক্তদের পিষিল দুস্তর।
কিন্তু পুরোহিত বৃধি ও বালক শ্রীখরের ডাকে
উজ্জয়নী প্রেমিক শিব-
স্বয়ং জাগিলো, রক্ষিলো নগর।
রুদ্রসাগর হ্রদের তীরে স্বয়ম্ভুমূর্তি
স্থাপনে পার্বতী আসিলো;
সেই দক্ষিণা মূর্তিতে- বিস্তর ক্ষণ-অনুক্ষণ।
ছবি: বিধান দেব

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন