প্রজ্ঞাবান
এবার বসন্তে শরৎবাবুর উপন্যাস পড়তে পড়তে
দুপুর-উৎসব শুরু হয়
যতবার পৃষ্ঠা খোলা পায়
এসে ওঠে পুরানো দেবতা
অভিমুখ পাল্টে ফেলি।
হে অগ্নি হে বায়ু
দানশীল হও ---
পৃথিবী প্রভূত হব্য দান করে
আজ নিঃস্ব
আশ্রয়যোগ্য পূর্বাভাস প্রদান করো
আমাদের রক্ত ওঠা গলা ধরে
ঝুলে আছে প্রজ্ঞাপারমিতা
ক্রান্তিকাল
জেগে থাকা ভালো।
সর্বদর্শী হও। পূজনীয় জল মাটি
পুত্রপৌত্রাদি ভোগ করেছি
আজ সুরধারা তরল কুটিল… মৃত আত্মা
ব্যথা বাড়ে তলপেটে, গুঁড়ো দুধ
আর ঐশ্বর্যসম্পন্ন নয়
রাজ ভক্ষণার্থে প্রতিদিন কাটা হয়
তরুণ শাবক।
হে ব্রহ্ম , ইন্ধনঘরে জ্বেলে রেখো
' মাতৃ-মুক্তি-পণ '
মরুৎগণের বন্ধু
সমান্তরাল মুহূর্তগুলি অতিথির মতো উল্লাস প্রমত্ত হাত-পা ছড়িয়ে ত্রিভুবন বিচরণকারী।।। নেতা ও মুরগির ঠ্যাং থেকে রক্ত বহমান।।। দিব্যি আছি।।। মরুৎগণের বন্ধু আমি , , , যজ্ঞ মুদ্রা খুলে রাখি সংকট সময়ে।।। ঘুসঘুসে জ্বর তাতে সামান্য ওষুধ।।। উৎকৃষ্ট পানপাত্র তোমাকে স্বপ্ন দেখেছে --- নদীতীর আর ভূতজাত পশুগণ মনোজ্ঞ ভোজনরত।।।
ছবি : বিধান দেব
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন