দ্রষ্টা
সমকায়শিরগ্রীব কবি সিদ্ধাসনে বসে
আকুল ডোম্বিনী তার অঘ্রাণের লাউমাচা
ভদ্রাসনে রতিগন্ধ ওঠে...
চঞ্চল হয়েছে তার মূলাধারে সাপ
ফণা তোলে ,আজ কোন ছন্দই মানেনা
মাহ ভাদর তবু ছেঁড়া মেঘে জেগেছে চন্দ্রমা
ভাঙা ঘরে জোৎস্নার আলো_
চরাচরে কবিতা কোথায়? তাহলে প্রদীপখানি জ্বালো
পিঙ্গলা আলোয় তোর মুখখানি দেখি
হাসে ঈড়া কুপিতা সুষুম্না_
চুরাশি লক্ষ যোনি পার হয়ে এসেছি এখানে
মুখখানি তোলতো সুকন্যা
লোভ
ক্রমশ বেহাল হচ্ছি , গজানন সিদ্ধিদাতা ঠেকব কোথায় ?
আমিতো জানিনা এত ফুল কোথা থেকে এল? অবচেতনায় ...
আমাকে এঁকেছে কে ? কার হাতে তুলি? পুরাতন দস্তরখান বিছিয়ে বাসিমুখে বসে আছে কে? আমাকে চিবাবে। আবাঙমনসগোচর হে প্রতিষ্ঠান
পায়ে ধরে বলি আমাকে ছাড়ান দেন।একটু বসে থাকি একটেরে গাছটির নিচে।
শর সন্ধি
ঘোড়াটি লুকানো ছিল , শুধু একবার সংকেতের বোন মিনু
দেখেছিল তাকে।আমাধরা পাঁচিলের পাশে তার জমকালো
কেশর ফুলে ফুলে ওঠে।একদিন চলে যাব এইসব নরম নরম
চষা ধানক্ষেত, দুপুর মাড়িয়ে।
ছোট থেকে দেখি ধোঁয়া ধোঁয়া দিগন্তের দিকে ; হাই টেনশন তারের
খুঁটিরা সার বেঁধে ছোট হয়ে গেছে। কোথা থেকে আসে বিদ্যুৎ ?
-- চল দেখে আসি।আমি আর আমার ঘোড়াটি তড়িৎপৃষ্ট হব
বলে মুখিয়ে রয়েছি ।গেরিলা যুদ্ধ
গাছের আড়ালে ছিল
মুহূর্তে ঝাঁপ দিল জলে..,
নীল ভল্লের মতো যেন মাছরাঙা
ফাইটার জেট নীল বিদ্যুৎ
ফুলগুলি ভাসছিল এতক্ষণ
পলকে মাছ, পলকে জলের তলায়...
' কেশব ধৃত মীন শরীর '
মাছের হাঁ মুখ বড়ো হতে হতে
গোলার্ধ ছাপিয়ে যাচ্ছে
চিবিয়ে খাচ্ছে নীল বিদ্যুৎ...
শান্ত জলে মৃত মানুষের টুপিগুলি ভাসছে...
ছবি : বিধান দেব
বেশ ভাল লাগল।
উত্তরমুছুন