কোনও একদিন
মেঘলাদুপুর স্বমেহণে
একদিন বিষণ্ণ শরীরে
ঘাম হয়ে আসে।
দুর্লভ অতীতের
শৃঙ্খলে আবদ্ধ
এক শেকড়ের টান
আর মুক্ত আকাশের
টানাপোড়েন...
অবিরত গল্প পোড়ায়।
একদিন হলুদপাখি
সমস্ত বিষণ্ণতা সরিয়ে
রৌদ্রের হাসিতে উড়ে যায়।
শৈশবের স্মৃতিতে ঝাপসা হয়ে
আসে তার মাইথোলজি।
অক্ষরগুলো
মৃগনাভি থেকে পায়ের পাতা
ভালোবাসার অক্ষরগুলো আজো
তেমনভাবে লিখিত হয় ...
প্রেমের ভাষা তো একি থাকে চিরদিন
শুধু স্থান কালভেদে তা পাল্টে যায়
যুগে যুগে।
অস্থি মজ্জা শিরা উপশিরাগুলি
কিছু কিছু আটকে থাকে শিখণ্ডীর মতো
মধ্য আকাশে।
আকাশের সোনালি আলোর ছটা
রেখে যায় ধুসর বিকেলগুলো
ভেঙে ফেলা হয় মানঅভিমানের
অদৃশ্য প্রাচীর।
সব দুঃখ ভেসে যাক অমৃতলোকে
সংগোপনে
কিছু কথা রেখে যাই সংগোপনে
নিস্তব্ধ ঘোরের ভেতর...
বিষাদমাখা অশ্রুরা কেবল
ঘোরাফেরা করে বিষণ্নতা।
শীতল স্রোত নেমে যায় বুকের
ভেতর অসময়ে...
বিন্দু বিন্দু ঘাম আর রক্তিম রেখা
কেবলই স্মৃতির ওপর খোদাই করা
একটা ফলক।
নিজের ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে
করতে পৃথিবী ও রণক্লান্ত।
ছবি : বিধান দেব

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন