ডায়মণ্ড হারবারের সাহিত্যচর্চার ইতিবৃত্ত
ডায়মন্ডহারবারের নাট্য সাহিত্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে আমি দুজনের নাম উল্লেখ করছি মাত্র ।আরও একজনের নাম এ প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য ।তিনি শংকর বিশ্বাস ।সমাজসেবী এই মানুষটি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক নানা কাজকর্মে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন ।ওসব কাজকর্মের ফাঁকে নাটক মঞ্চস্থ করানো,নির্দেশনা দেওয়া, অভিনয়ে অংশগ্রহণ ইত্যাদি কাজে নিয়োজিত থাকতেও দেখা যায় তাঁকে ।কিন্তু তিনিও রচনা করেছেন নাটকের বই,নাম : 'ভালোবাসি নাটক'।বারোটা নাটকের সংকলন এই গ্রন্থের কিছু নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে ইতিমধ্যে ।শংকরবাবু বসবাস করেন ডায়মন্ডহারবার রেল স্টেশনের নিকটবর্তী কালীনগর গ্রামে ।
ফলতার বাসিন্দা সুরজিত প্রামাণিক কয়েক বছর ধরে সম্পাদনা করে আসছেন ' নিরক্ষরেখা' নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা ।মূলত কবিতাকেন্দ্রিক এই পত্রিকার প্রকাশ অনিয়মিত ।সুরজিত নিজেও সাহিত্য চর্চা করেন ।তাঁর একটি কবিতার বইও প্রকাশিত ।ওই অঞ্চলে রমা হালদার নামে একজনের কবিতা চোখে পড়ত একসময় ।বর্তমানে আর চোখে পড়ে না ওই নাম।
আর একজনের কবিতা মাঝেমধ্যে চোখে পড়ে ফেসবুকে, তিনি বৃষ্টি পুরকাইত ।টুকরোটাকরা লেখা এভাবেই নজরে আসে উজ্জয়িনী সাঁতরা নাম্নী এক লেখিকার ।কিন্তু এঁদের নিয়ে বিস্তারিত কিছু মন্তব্য করার বা লেখার মতো বিশেষ কিছু নেই আপাতত ।
করোনাকালীন দীর্ঘ লক ডাউন, যানবাহনের অব্যবস্থার ফলে তথ্যাদি সংগ্রহে
আমার বেশ অসুবিধা হচ্ছে ।তাই আর কোনো
সাহিত্যচর্চাকারীর নাম ,তাঁদের কাজ বর্তমানে আমার সংগ্রহে নেই।অনেকের কাছে এ বিষয়ে এলাকার তথ্যাদি প্রার্থনা করেছি।প্রতিশ্রুতি দিয়েও তাঁরা তাঁদের কথা রক্ষা করতে পারেন নি ।কোনো অসুবিধা হয়তো তাঁদেরকে একাজ থেকে বিরত রেখেছে ।তবে আমি নিশ্চিত সমাজের ভাঁজে ভাঁজে, আমার জানার বাইরের অন্ধকারে অনেক নতুন কবি - গল্পকার শান দিচ্ছেন তাঁদের শানিত কলমে ।সাহিত্যচর্চার ধারা কখনো থেমে থাকে না, বিরতি জানেনা।
তাই এ যাত্রায় অনিবার্যভাবে থেমে যেতে হচ্ছে আমাকে ।আবার যেদিন আমার সন্ধিৎসার ঘট পূর্ণতার দিকে এগিয়ে যাবে সেদিন নিশ্চয়ই তুলে ধরার চেষ্টা করব স্বজন পাঠকদের সুমুখে । আপাতত আমার এ পর্যন্ত লিখিত ইতিবৃত্তর সমস্ত অসংগতি, অপূর্ণতা,ভ্রান্তির দায় একান্তই আমার ।আশা করব কেউ এ বিষয়ে সত্য ও যথাযথ তথ্যের সম্ভার নিয়ে অচিরে বা আগামী দনে হাজির হবেন আমাদের সামনে, সুযোগ দেবেন সমৃদ্ধ হবার ।
আমার এই অনিবার্য অসম্পূর্ণতার জন্য সবিনয় ক্ষমা প্রার্থনা ক'রে এখনকার মতো বিদায় নিচ্ছি ।
( সমাপ্ত )
ছবি : বিধান দেব

কাজটি স্থানিক ইতিহাসের শামিল হিসেবে ধন্যবাদার্হ।
উত্তরমুছুন