এসময় খুব বিষণ্ণতা গ্রাস করছে। এসময় স্মৃতি করে দিচ্ছে সব কিছু। এমন ঘোলাটে আকাশ এমন ঘোলাটে নদী এত উজ্জ্বল ঝকঝকে হয়ে উঠবে তা হয়তো অজ্ঞান শৈশবেও ভাবিনি। তবে অতীত আমাদের প্রসন্ন থাকতে শিখিয়েছে সব অবস্থায়। বঙ্কিমচন্দ্র- শরৎচন্দ্র-বিভূতিডূষণ আমাদের কম বাস্তবতার মুখোমুখি করেননি। সব ভয়ঙ্করতার পাশে জীবনের প্রসন্ন দেবতা চিরকালীন স্রোতের মতো বয়ে এসেছে। না, তা চোরাস্রোত নয়। জীবনকে উপলব্ধির এই-ই সেরা সময়। এ সময় মনুষ্যত্বকে ঘুলিয়ে দেবার সময় নয়। 'অমাবস্যার শ্মশানে ভীরু ভয় পায়/ সাধক সেখানে সিদ্ধিলাভ করে'--( সেই সব স্বপ্ন/ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)। এখনই সম্পূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠার সময়। সেই নিষ্পাপ সাধনা মানুষকে বাঁচার তৃপ্তি দেবে। প্রতিবেশীহীন বাঁচা বাঁচা নয়। চেতনাহীন, উপলব্ধিহীন পৃথিবীর অস্তিত্ব আমাদের আপেক্ষিক দৃষ্টিভঙ্গির আপাত সত্যকে একেবারে নস্যাৎ করে দিতে পারে হয়তো। সেদিন নাই বা এল। মানব সভ্যতা থেকে স্বপ্ন শব্দটা নাই বা গেল মুছে।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কবিতা
সম্পাদকের কথা
দ্বিতীয় বর্ষ ।। অষ্টম সংখ্যা ।। মার্চ ২০২২ খুব অসহায় লাগছে এবার। আমাদের ডান পাশে ধস। বায়ে গিরিখাত। মাথায় বোমারু। পায়ে পায়ে হিমানীর ব...
-
চণ্ডী কথা ১ সুরথ সমাধি আখ্যান রাজ্যহারা রাজা সুরথ ঘুরতে ঘুরতে মেধামুনির আশ্রমে এলেন । ভাগ্যহারা বিষণ্ণ রাজা । কিন্তু ফেলে আসা রাজ্য ...
-
দোলায় আছে ছ'পণ কড়ি এক হেমন্তের গোধূলি আর সন্ধ্যার ভেতরে তেমন তো কোনও ফারাক থাকে না। ১৭ নভেম্বর ২০২০ হির্শবার্গের সন্ধ্যা আর কলকা...
-
শমীপোকা ও অর্জুনের বিষাদযোগ লাল, রেকসিনে বাঁধাই ছিল বইটা। ঠাকুরঘরে ঢুকে নকুলদানা খেলে কেউ কিছু বলত না, কিন্তু এই বইটায় হাত দেওয়া যাবে না...

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন