দরগাহ
জ্যোৎস্নার সঙ্গে ছায়া রিফু করে
অন্যরকম একটা চাদর তৈরী হলে
দরগায় কার যেন পবিত্র কণ্ঠস্বর
ঘুরে ঘুরে ছড়াতে থাকে ফুলের সৌরভ।
অদৃশ্য ফুলের পরাগে
যেন বা প্রজাপতিরা ঘুমিয়ে পড়ে তখন...
তাদের গুম্ফা বেয়ে পার হয় রাত্রির প্রহর।
ভোরের কুয়াশা মোহিত চোখ মেলে
দেখে প্রজাপতির ডানা বেয়ে অজস্র প্রেমের চিহ্ন
উড়ে চলেছে...
গোপন অভিসারিকা
গোপন অভিসারিকা তার কপালে অভিনব কুঙ্কুম...
ভুরুতে ঘন কালো মেঘ।
চোখের মণিতে আঁকা যুগল প্রেমালাপী,
ক্রমশ উজাড় করে দেওয়া ঠোঁট
কামনার বাহুডোরে সঁপে, নিজেকে খুলতে থাকে...
শুকনো পাতায় বেজে ওঠে বেদনাযাপন।
ভাবতে থাকে গাধার দুধে প্রসাধনের দিনগুলি
গোলাপের পাপড়ি ছড়ানো জলে ডুব দিয়ে
কীভাবে যেন চির বিরহিণী হয়েছে!
জিরাফ
আকাশগঙ্গার দুইপাড় জুড়ে বিচিত্র সাজানো
গাওয়া ঘিয়ে জ্বলতে থাকা বিষ্ণুপুরী চৌকো লণ্ঠন।
লণ্ঠন ঘিরে অজস্র সোনালি পোকার
তা তা থৈ নাচ মেনকাকে হার মানায়...
আকুল তৃষ্ণা নিয়ে একটি জিরাফ
গলা বাড়ায় আকাশগঙ্গার দিকে।
পেট ভরে ওঠার পরেও তার তৃষ্ণা
যেন ফুরোয় না...
ক্রমশ নিজের গলা আরো আরো লম্বা করে তোলে...
ছবি: বিধান দেব

তিনটি লেখাই ভালো লাগলো। তৃতীয় লেখাটি বেশ কয়েকবার পড়লাম
উত্তরমুছুন