ঘরে ফেরা
সাদা কাপড়ে মুড়ে শবের ঠান্ডা স্পর্শ করল অনেকদূরে , সেখানে বিন্বিখই উড়িয়ে,হরিধ্বনি দিয়ে অপু ফিরছে নিজে্র ঘরে । হয়তো বা তাকে ডাকতে এসেছিলো মেঘের বাড়ি থেকে
কিন্তু সে ফিরছে আজ নিজে্র বাড়িতে।
সাদা কাশে মুড়ে মাঠ অপুর অপেক্ষায় হয়তো তারা
ফিরছে অপু,এতদিন ধরে অপেক্ষা করেছিলো যারা। স্বৰ্গতে যেতে চায়না সে,স্বৰ্গ যখন মৰ্ততে
অপূৰ্ব রায় ফিরছে আজ নিশ্চিন্তপুরে নিশ্চিন্ত ঠিকানাতে।
অপুর প্ৰত্যাবর্তন
প্ৰবন্ধটা আর হলো না শেষ , চল্লুম ফিরে অনেক দূ্র। স্মৃতির ভিড়ে স্মৃতি হয়ে , স্মৃতি ঘেড়া নিশ্চিন্দিপুর। রেলগাড়ি টা বুঝি শুধুই কাড়ে সেই ছেলেবেলায় দিদিৱ সাথে কাশবনের ধাৱে , প্ৰথম দেখা । তারপর ই সে গেলো চলে , নিশ্চিন্দিপুর ছাড়লাম,তাও রেলগাড়ি চড়ে। বাবাও তারপর গেলো চলে। মাও গেলো রেলগাড়ির ই অপেক্ষা কৱে। আবার রেলগাড়ি চাপিয়ে যখন অপৰ্ণাকে পাঠালাম বাপেরবাড়ি, তখন কী জানতাম সেও আমার সাথে করবে এভাবে আড়ি!! তাই এবার রেলগাড়িটাকে দিলুম ছাড় , আচ্ছা,, দিনের' শেষে কীবা রইল আমার! বাবা হয়েও আমার শোনা হলো না বাবা , আমি এমন ই অভাগা । পুলুর সাথেও শেষ দেখা সেই কবে! স্মৃতির অতলে সে কি আর মনে পরে? মনে্র কোন আজ শুধুই ধোঁয়াটে দৃষ্টিটা দিন দিন হয়ে আসছে ঘোলাটে। ঝরাপাতাগুলো আজও ওড়ে, ওদের সাথে সম্পৰ্ক বহুদিনের। তবু কেন আজ তাদের দেখলে মনে হয়
তারা কোন সূদূরের ঠিকানা হারা পথিক দুজন ঝরাপাতার ও নাই ঠিকানা আমি নাহয় পেলুম ফিরে নিশ্চিন্দি পুরে নিশ্চিন্ত ঠিকানা।
ছবি : বিধান দেব

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন