নাব্যতা নাকি ক্ষয়ের ট্যুইশন
ঝকঝকে একটা বিকেল লিখছি
পিয়ানো পাখির হ্রদ যত্ন ছড়ায় আকাশে
ছেনির আদল পেরিয়ে বেজে যায় টগর লিবিডো
ভূমির চিৎকারে ঝিঁঝি কাটে যমুনার রেণু।
অসংখ্য লোহিতান্ন মাংস ডুবিয়ে খায়
নিষ্পাপ ছিল আঙুলে ভ্রম
বাসন্তী এঁকে গভীরে গেছে তল-বাঘিনি
নিশ্চিত তৃষ্ণা জেনে জলদস্যু
খোঁড়া মাছি ভাসায় হুমড়ি জিহ্বায়
ব্যাঙের ফিঁকে নিয়ে বর্ষার ধু-ধু
জুড়ে জুড়ে গেছে নাভির বারকোডে।
কামড় চিবিয়ে খায় আপেলের পাপ।
গোঙানি ঝুঁকে আছে সদ্য ঝিনুকে।
ঘুঙুরের রাজহাঁস বেজে ওঠে মাফিয়া জংশনে।
বিদ্যুৎ ভূমিষ্ঠ হবে ড্রপ ড্রপ সন্ধ্যায়।
দুঃস্বপ্নে কুড়োব তোমাকে
একটা নির্জন গাছ মধু ডিঙিয়ে
জমে ওঠে
একটা ভাললাগা রাত হয়ে ওঠে
মুখস্থ রেশম
শংসাপত্রের চিবুক বেয়ে গড়িয়ে পড়ে
জল
বয়সের কাছে কাছে পড়শি পেতে রাখে
অতিবর্ষণ চুম্বক
মাখামাখি অঞ্চল ক্রিয়া-বিশেষণে ধুয়ে গেলে
দুঃস্বপ্নে কুড়োব তোমাকে
আর ধারালো বায়স্কোপের কাছে গেলে এলোমেলো
হয়ে যায় ফুসফুস; মাথা ভর্তি কুসুম ক্লান্তি ভিতু মাংসের
দোয়াতে চুবিয়ে নিচ্ছে ভাঙা পালকের অক্ষর৷
মন্ত্রের মতো কে এত অরণ্য বিছিয়ে দিল।
মোরগের ঝুঁটি জাগিয়ে দেয় ভোরের পৌষ।
গম গম বজ্রপাত এঁকে দেয় মধ্যাহ্ন।
দূরসম্পর্কের চুম্বন ধ্বংস করছে বাঘিনির বয়স।
ফুলের ভূষণ খুলে কুঁড়ি যেন স্বরচিত ইশারা হয়ে আছে।
সংক্রমণ
নখও কাদা হয় যেন অসংখ্য ভেতর
টপকে গেছে ছেঁড়া গ্রন্থের মধ্যরাত
ঝাড়বাতির উত্তরপুরুষ পিছলে একী
দু’ভাগ আঁধার এল। প্রাচীন ক্ষুধান্নের ভিতর
পাশ ফিরে শুয়ে আছে এলোপাথাড়ি জীবন
গুছিয়ে তুলেছে রোপণের পূর্বাভাস
জল তার পর্যটনকে সন্ধ্যার দিকে নিয়ে যায়
আর বকফুলের বহুবচন দিক-ভুল করে দেয়
পেকে যাওয়া ঘুঁটির। নষ্টের খোঁপা খুলে
দাঁড়িয়েছে যে তার পূর্বাহ্নের কাছে আমার
একটা ক্লাস বাঙ্ক হয়ে আছে।
এখন জলকোটের নীচে প্রদীপ জ্বলে
নোটবইয়ের তিনতলায় বান্ধবীর পায়রা অসাবধান হচ্ছে
ওষুধের ঊর্ধ্বক্রম গুঁড়ো গুঁড়ো অডিসির তুখোড় নিয়ে
হয়ে ওঠে কুরুশের পাঠশালা
তীক্ষ্ণ সম্পাদ্যের ড্রয়ারে চাবির ঠোঁট টিপে ধরি
দেখি, কীভাবে প্রমাণ হয় অতিভুজের সংক্রমণ।
ভাঙা ট্যাবলেট ও অভিযোজিত জ্বর
এক পয়সার অন্ধকারে আলো নাজেহাল
সুসিদ্ধ সাঁতারগুলো চতুর হিমালয়ের গায়ে
আপাদমস্তক হয়ে আছে। স্নায়ুর গলনাঙ্ক
ফোটে, হয়ে ওঠে বিন্দু বিন্দু এসকর্ট: একটা
হেলানো বসন্ত চিতাবাঘ পেরিয়ে ঘুমিয়ে আছে
থাবায়। টিলার ঝিম ছড়িয়ে আছে জঙ্গলে
আর অক্ষয় দোয়েলে নাভিজ্বর নিয়ে ঘেমে
উঠছে বিধর্মী আগুন। পোড়া আঙুরের খেতে
ভাঙা ক্র্যাচের দৃশ্য আহত শুক্ল দশা মেখে
ফিরে গেছে হাসপাতালের খনিজে। শিকড়ে
শিকড়ে আলজিভ দৃশ্য ভাঙে, ভেঙে যায় সিঁড়ির
চাপা পাললিক। অখণ্ড মণ্ডল ছিঁড়ে ডাকবাক্স
রাস্তা চিনে নেয়। হাতে হাতে পাতানো বিকেল,
মাথায় দিব্য ফড়িং, থিরথির রানওয়েতে কেঁপে
ওঠে ভূমধ্য চিবুক ও বজ্রপাত।

চমৎকার রূপক, চিত্রকল্প ও শব্দের ট্যুইস্ট।
উত্তরমুছুন