ভালোবাসার গন্ধে ভ্রাম্যমান
তোমাকে এক নজর দেখতে পেলাম
নিশ্চিন্তপুর লোকালে । তীব্রবেগে ছুটছে---
আমার চিঠিগুলি স্বপ্নের দেশে
ভালোবাসার গন্ধে একা ঘুরি
একা একা । মন এখন কথা বলে
বেরিয়ে এসে---
সংহারে নিত্য বাঁচা-মরা !
চিত্রিত পাখির ডাকে
প্রিয়জনকে এবারে
পাবো
ফিরে ফিরে এলো অনেক
বছর পর---
চিত্রিচ পাখির উচ্চারণে
চিনে নিতে হবে
নিজস্ব অভিরুচি
তুমি যাও--- তপস্যা ব্যর্থ---
প্রতিজ্ঞা করো বাড়াবাড়ি করবে না ।
বিনিময়ে থাক অশ্রু সকল
মুক্ত ঝিনুকে ফিরে যাও
বিনিময়ে থাক অশ্রু সকল
জীবনের ঝঞ্ঝা প্রয়োজন
তারও আগে দরকার---
আমার মৃত্যু
ফিরে যাও---
তামা ও ব্রোঞ্জের আংটি পরো
তর্জনি থেকে অনামিকা
সমস্ত না-বলা কথা...
ফিরে যাও ,
শুভ রাত্রি
দৃশ্যপট
শিশিরে মুখখানি রঙিন
ছদ্মবেশে আমি
দৃশ্যট্ বিন্যাস করি,
সেই ভোর থেকে
এখনো--- দেখছি
রৌদ্ররেণু।
যেন বেঁচে থাকার সফর
রাতের লম্পট জল
শ্যাওলা মাখানো মুখ
কতটুকুই বা চিনি--- !
প্রিয় মুখ চেনা মুখ ভেসে ওঠে ।
ভোরের স্বপ্ন অধরা
নীরবে বুক চেপে ধরি
গভীর রাতে লম্পট জল
অচেনা নয় , ---মায়াবিনী
আমায় ভাসিয়ে দিও আজ
অনেক আলোকবর্ষ শেষে
স্বপ্নময় দেখা টুকু যেন বেঁচে থাকে
বহুকাল স্রোতে ভেসেছি---
নিয়মিত দুঃস্বপ্ন দেখি
তুমি দূরত্বে আছো
বহু আলোকবর্ষ শেষে
প্রান্তিক মেঘের মতো উড়ে যাব
অঝোরে--- স্রোতে ভেসে ভেসে
ক্রুশবিদ্ধ
আমি ক্রুশবিদ্ধ , অস্তাচলে পড়ে আছি
রক্তাক্ত হয়ে--- স্বপ্নে
কবি ব্যাভিচার , বেলেল্লাপনা
ছিড়ো না মানপত্র
সবাই দেখুক : তুমি কবি
আগামী দিন স্মরনীয় হোক
ঢলে পড়ুক সই নিতে
আমায় অনুরোধ করো না
লোকালয়ে থাকতে
অন্যপার
নিয়মিত লক্ষ্য রাখি খেয়াঘাট
জানি তুমি পার হও
ভবার আখড়া কতদূর...
শিল্পী বসে পাড়ে
সবই জানো
তোমার রৌদ্ররেণু আছে
রঙের বিভ্রম আমি !
হ্যাঁ--- না
দেখেছি রাত্রি জুড়ে তোমার কথা বলা
হ্যাঁ--- না - বলো---
এই কি শুধু রাতের ছবি !
নাকি সাম্যের গান শোনাবে---
"আমার ঠাই নএই রে সই
আমার ঠাই নেই রে সই"
রক্তে সন্ধ্যা নামে
আমার রক্তে সন্ধ্যা নামে
চোরাপথে বিষক্রিয়া :
টের পাই শেষ রাতে
তবুও----
তোমার উৎসবে যাই
তুমি লজ্জা রঙে সুখী
ছবি : বিধান দেব
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন