শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১

সম্পাদকের কথা


 এখন হেমন্ত। শরৎ এল। কিন্তু বর্ষা তাকে কোথায় যে কিক করল খুঁজে পাওয়া গেল না। শুধুমাত্র সাহিত্য পত্রিকাগুলির শরৎকালীন পুজোসংখ্যা প্রকাশিত হতে দেখে মনে পড়ল তিনি এসেছেন। যদিও অন্ধের সহ্যশক্তি অনেক বেশি। তাই আমরা আবহাওয়ার কবলে শান্ত থেকে আরও শান্ততর হয়ে গেছি। যদিও এটা কবি জীবনানন্দের কাল। হেমন্তের রিক্ত মাঠ ধূসর খড় যেভাবে তাঁর হৃদয়ের শূন্যতাকে প্রকাশসক্ষম করে তুলেছিল তাতে  রবীন্দ্র সংগীতে কিঞ্চিত স্থান পাওয়ার দুঃখ হেমন্তের গেছে। শিশিরের শব্দের মতো সন্ধ্যার আগমনের এই সূচনা। কিন্তু সাধ্যকে আরোগ্য করে সেই সন্ধ্যার দীন সম্বর্ধনা এখনও আমার চেতনায় আঘাত করল না। অতিবাস্তবতা বাস্তবই তো! কবিতার বহুল পঙক্তিকে অধিকতর বাস্তবতায় মিলিয়ে দেবার জন্য পথে নেমেছিলাম। প্রসঙ্গের পূর্বাপর সমারোহ কেমন মিলেও যাচ্ছিল। কিন্তু আটকে গেল শিশিরের শব্দে।  নীরবে একদিন প্রেম আসার মতো। এখন তো বুকে চাপ চাপ অন্ধকার। বিদিশার নয়। খাঁটি বাংলার। ফলে কাল ঋতু সব গুলিয়ে যাচ্ছে। শুনতে পাচ্ছি হেমন্তে কোন বসন্তেরই বাণী। তবে মাঝখানে অতলান্তিকের মতো শীত শুয়ে আছে। তার রঙের জোব্বায় নানান প্রলোভন। উৎসবের এই তো শুরু। সেই সব উৎসবের ফাঁকে ফাঁকে এবারে বরং আসুন বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামে গ্রামে খোঁজ করি কিশোরীর চালধোয়া ভিজে হাতটির, যথার্থ শীতহাতখানির...

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন