যদি তুমি জল হও
তুমি জল হলে চিকন আলো নেমে আসে
দূরে ঘাসবন চিরে ছুটে যায় আকাঙ্ক্ষার অশ্রুজল
সেই জল ছুঁয়ে কেন যে এই সমর্পণ
আমার দুই মুঠোর ভেতর কোলাহলহীন একটি রাত্রি
অবৈধ সম্পর্ক সন্তর্পনে এড়িয়ে ঘাস ফড়িং-এর ডানায়
কেন যে লিখে ফেলে তোমার প্রশংসা
ফিনফিনে বাতাস আমাকে টুকরো টুকরো করে
ঠিক তখনই বিপন্ন সময়ের ঘন কুয়াশা
চিকন আলোর অতীত ঠিকানা পর্শ করে
ফাগুন লেগে থাকা তোমার আগুন শরীর ভিজিয়ে দেয়
তুমি জল হলে তোমাকেই ভেজাই
বারে বারে ভেজাই
কখনও যদি সমুদ্র হয়ে ওঠো
সেই সৈকতে বালির পাঁজরে আমার শেষ নিঃশ্বাস রেখে
উড়ে যাব তারাদের সংসারে
কার কিবা দোষ বেলো
শুধু একবার তুমি জল হও
তোমার শরীরে পানসি ভাসাই
ভোট টুম্পা
ভোটের মাছি খুঁটির জোরে উঠবে এবার কাদের চালে
আমার চালে ডুমো মাছি টুম্পা গানে মাদ যে ঢেলে
আরে বাবা রাঘববোয়াল সবতো পাবে রেজাল্ট শেষে
এখন রেখো কান্না চেপে ঘুরছে জুজু ছদ্মবেশে
পাশ ফিরলে মাছের মাথা এমনি পাবে বিড়ালবুড়ো
আর কি তবে ঝিকিরমিকি মেঘ গুলো সব মিথ্যে খুড়ো
যখন তখন দৌড়ে এসে কামড়ে খাবে তোমার বাটি
তাই কি হল তোমার ছাদে টুম্পা নাচের শক্ত ঘাঁটি
প্রিয় কথা তোর বুকে হাত রাখি
সেখানে কয়েকটা মাছরাঙা
নীল মাছে ঠোঁট গুঁজে তাক লাগায়
পিপীলিকার শরীর আমার কেন যে মাখো বিসর্জনের আতর
নির্ঘুম সমুদ্র এসো
আলোকিত করো কথার স্বরলিপি
সমস্ত বাতিঘর নিভে গেলে প্রিয় পাণ্ডুলিপি এসো
চুম্বন করে স্পর্শের ভার সরাই
তুমুল ইচ্ছে এবং আমি
ফুল আর তুমি কখনোই কেউ কারোর গুণিতক নাও
নিশ্চিত যুদ্ধ হবে জেনে গন্ধহীন বর্ণহীন
সমগ্র নিখিল জুড়ে শুধু আমি একা স্বপ্নের খোলস গুলো জড়ো করি
অভ্যাস মত এক মুহূর্তের জন্য মুড়ে ফেলি শেষ রাতের জ্যোৎস্না
পরপর তুমি এবং ফুল তাও যে কেন কেউ দরজায় কড়া নাড়ছে
হালকা ডোরাকাটা চাঁদের বুক থেকে প্রবাহিত ফোঁটা
ধ্রুবতারা হয়ে যাদের ভিতরে প্রবেশ করলো
তাদেরও সভ্যতায় কীট ও বর্বরতা
চৈত্রের শেষ বাতাসে মল্লিকা বন পেরিয়ে রক্তের নদী পেরিয়ে
চুম্বনরত নগ্ন শরীর অবয়বহীন গোপন লোভাতুরা

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন