সংকল্প
চাদর টা সরিয়ে সবাই দেখুক
মৃত্যুমুখও কেমন প্রতিমার মতো হয়
বিরহ-বেদনায় অন্ত্যেষ্টি মিটে গেলে,জেনো
শুকনো গাছে খোদাই করেছি ...ফিরে আসার গল্প
জন্ম
ফিরে যাও।
যেভাবে বাসায় ফিরে যায় পাখি
সেভাবেই উৎস মুখে...
সমস্ত পাপ হিসেব করে মুছে
এযাবৎ প্রেমের অঙ্গীকার
সঞ্চারিত করো ফেনিল উল্লাসে।
মানুষের পায়ের ছাপে
ফিরে এসো--
জ্বালো আগুন।
নয়তো গুহাচিত্র মুছে
সার্থক করো পাখির জন্ম।
খোঁজ
দেবতার পায়ে নিবেদিত অর্ঘ ফেলে দিলে
যেমন মাছি বসে, তেমনি ---
মৃত ধর্ষিতার শক্ত শীতল শরীরের ওপর
ভনভন করে।
শুকনো পরাগ আর নিহত যোণির মাঝে
খুঁজে চলে?
পরজন্মে ভোমরের আশ্বাস....
অভিমানের দৃশ্যকল্প
তোমায় দেব বলে
হলুদ খামে রাখা অভিমান বার করতেই
সেগুলো অগুন্তি প্রজাপতি হয়ে উড়ে গেল।
আর তখনই ম্যাজিকের মতো
নির্জন অরণ্যের মুখে ঠোঁট রাখে মেঘ।
অবিরাম বৃষ্টিতে ভিজে যায় নদী
ভেসে যায় আমার ব্রহ্মডাঙা....
আইবুড়ো ভাত
বুকের মাঝে তিল তিল করে
জমে ওঠা কান্নার দীঘিতে
দক্ষিণের চিঠি নিয়ে ঝঞ্ঝা বাতাস
হটাৎ ঝাঁপিয়ে পড়লে--
গন্তব্যহীন ভঙ্গুর স্বপ্নগুলো পানসি তে ভাসে।
আলো আঁধারির মাঝে
সেই সব অনক্ষ মিলনদৃশ্য
ভবিষ্যতের ভয় ঝেড়ে ফেলে
অতিক্রম করে নগ্নতা।
থম মেরে থাকা বৃষ্টির আকাশ
আইবুড়ো ভাতের নিমন্ত্রণ রেখে যায়
মেঘ বাড়ির নির্জনে...
ছবি : বিধান দেব

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন