লিখতে লিখতে
লেখার কথা ভাবলেই আজকাল
কুন্ঠিত হই।
ভাবি , যে শুরু করেছি আমি
ঠিকঠাক শেষ কি হবে?
কিংবা যা লিখবো তা কি গ্ৰহণীয় হবে?
এই যে এতো আলো বাতাস
এতো ভাববিনিময়, এতো প্রাণ ধারা,
ছায়া, আর স্নেহময়
সবই কি চিরদিন একভাবে ঠিক থেকে যাবে?
এসব ভাবতে ভাবতে যখন লেখা শুরু করি
তখন নদী দরজা খুলে ডাকে
উড়ন্ত পাতারা দেখি
অনায়াসে মর্মমূলে বিঁধে গিয়ে
অন্তিম অধ্যায়ে হাত রাখে!
হাঁটতে হাঁটতে
হাঁটতে হাঁটতে একটা আশ্চর্য পথের দিকে যাই
সে পথ মনে করো কোথাও কোনো জগতেই নেই
কেবল চোখের ভেতর দিয়ে
মনের ভেতর দিয়ে
হাঁটতে হাঁটতে ছায়াঘর, দিলখুশ
কেমন ঘোরের মধ্যে একা একা
দানা পানি হই!
কথারা
কথারা কেমন আছে? কথাগুলো হাসির মতন
ছড়ানো সুতোর জালে আটকে
ঘাই মারে বুদবুদ শরীরে যেমন
শরীরে এতো পাঁক? শোকতাপে বিমর্ষ হই
কাছে দাঁড়ালে ঘোলা জল, দূরে গেলে উড়ে যায় খই।
কথারা কেমন আছে? যুক্তির প্রবল বিন্যাসে?
শিকড়ে টান ছিল? ছিল নাকি?
ভাষা হয়ে তবু দেখি ঘোরের মধ্যে কথারা উঠে আসে!
ছবি : বিধান দেব
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন