মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ, ২০২১

ধারাবাহিক গদ্য ।। দীপক হালদার



ডায়মন্ড হারবারের সাহিত্যচর্চার ইতিবৃত্ত 

 
সাত.
প্রশাসনিক পদে বৃত হয়ে বিগত সাতের আটের দশকে ডায়মন্ডহারবারে বহু সাহিত্য মনস্ক ব্যক্তিত্ব তথা সাহিত্যসেবী, কবি , নিজেদের চর্চার  সাথে সাথে এলাকার উৎসাহী মানুষদের  যেমন কাছাকাছি হয়েছেন তেমনই আন্তরিক সহৃদয়তায় কাছে টেনেছেন এলাকাবাসীকে।
                      সাতের দশকের মাঝামাঝি সময়ে ডায়মন্ডহারবারে নেহরু যুব কেন্দ্রের অধিকর্তা হয়ে এলেন কবি বাসুদেব দেব ।কিছুদিনের মধ্যেই তিনি তাঁর বিভিন্ন কার্যক্রমে পরিচিত ও আপনজন হয়ে উঠলেন সকলের।তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত কালপ্রতিমা ঘিরে গড়ে উঠলো এক অনাস্বাদিত উন্মাদনা । বাসুদেব দেব এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রৌদ্রের ভিতরে চিঠি।পরবর্তীকালে  তাঁর আরও বহু কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস, ছোটগল্প,নির্বাচিত কবিতা,কবিতা বিষয়ক প্রবন্ধগ্রন্থ 'কবিতা কালপ্রতিমা '  প্রকাশিত হয়েছে ।এলাকার  কবি- সাহিত্যিকগণ তো বটেই, সাহিত্য মনস্ক বিভিন্ন মানুষের সমাগম ঘটত তাঁর দরবারে । তাঁর আন্তরিক আহ্বান উপেক্ষা করতে পারতনা কেউই।ডায়মন্ডহারবারের সাহিত্য চর্চার ইতিহাসে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য ।
              একই সাথে স্থানীয় বাসিন্দাএবং সর্বজন শ্রদ্ধেয়  চিকিৎসক অরুণ  বসুর নামও  অবশ্যই  উল্লেখযোগ্য ।চিকিৎসা তাঁর পেশা হলেও আপাদমস্তক সাহিত্য নেশায় ভরপুর থাকতেন সবসময় । ডাক্তার  অরুণ বসুর সম্পাদনায় এবং  অনিল দত্ত প্রমুখের সহযোগিতায় 'ঋত্বিক' নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয় । পত্রিকার বন্দিমুক্তি সংখ্যা বিশেষ উল্লেখযোগ্য  সংখ্যা হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল ।তাঁর বাড়ির     বৈঠকখানাও সাহিত্য আলোচনার জন্য সর্বদা উন্মুখ হয়ে থাকত যেন ।বৈঠকখানার দরজা  উন্মুক্ত থাকত বরাবরই কবি ,সাহিত্যিক ,সঙ্গীত শিল্পী , বিদ্বৎজনদের সঙ্গ লিপ্সায়।কখনো কখনো  সন্ধ্যায় চেম্বার সেরে তিনি উপস্থিত হতেন কবি বাসুদেব দেব এর বাসায়,কখনোবা নিজের বৈঠকখানায় আহ্বান করতেন ইচ্ছুক উৎসাহীজনদের সাহিত্য আলোচনার আসরে ।তাঁর মেধার মননঋদ্ধ স্বরূপ অনায়াসে ঝরে পড়ত সভাস্থলে। কি অপরূপ ,পরিশীলিত  শব্দ চয়ন এবং বাক্যবন্ধ তৈরির মুন্সিয়ানা তাঁর বক্তব্যে প্রতিফলিত হতো তা ব'লে বোঝানো যায় না ।এরকম সাহিত্য রসিক,কবিতাপ্রেমী মানুষ বিরল।অরুণ বসু নিজে কবিতা লিখতেন, অনুবাদ করতেন বিদেশি কবিতা ।কবিতা বিষয়ক প্রবন্ধও লিখতেন।
                   তাঁর কাকা বিভুপ্রসাদ বসু এক পরম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব।তিনি সরিষা রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন । বিভুপ্রসাদ কবিতা রচনাসহ  সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয়ে প্রবন্ধ লিখতেন।তাঁর বেশ কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ আছে।তাঁর       সান্নিধ্য যেমন সুখদায়ক তেমনই শিক্ষাপ্রদ।তাঁর সুখ সন্নিধ্য  এক অপার্থিব অর্জন মনে করতেন কেউ কেউ ।সদা হাস্যমুখ এই মানুষটির সঙ্গ পেয়ে সমৃদ্ধ হওয়া যেত।বিদেশি সাহিত্যে সবিশেষ জ্ঞান সম্পন্ন বিভুপ্রসাদ একবার ইংরেজ  কবি টি এস এলিয়ট নিয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় ডাক্তার অরুণ বসুর বৈঠকখানায় প্রজ্ঞামুখর এক বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন মনে পড়ে ।আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন অরুণ বসুও। ডাক্তার বসুর প্রাজ্ঞ শ্বশুর মশাইও সেই আসরে তাঁর অসাধারণ বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন ।
                  সঙ্গীত শিল্পী ছন্দা বসু পরিচয়ে ডাক্তার অরুণ বসুর সহধর্মিণী ।শান্তি নিকেতন কন্যা ছন্দা বসু প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী শান্তিদেব ঘোষের ছাত্রী।তাঁর অসাধারণ মাদকতাভরা খালি গলায় রবীন্দ্রসঙ্গীত অনুষ্ঠানের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তুলত।
              বিভুপ্রসাদ বসু বাস করতেন ডায়মন্ডহারবারের নিকটবর্তী সরিষায় ।সরিষা রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সাথে যুক্ত  অকৃতদার এই মানুষটি অত্যন্ত যত্ন নিয়ে সম্পাদনা করতেন 'বসুধারা 'নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা ।মেদবহুল ওই পত্রিকার প্রত্যেক সংখ্যায় কবি লেখকদের রচনার মুখবন্ধে সংক্ষিপ্ত এবং ঋদ্ধ আলোচনায় ভরা থাকত ।পত্রিকায় স্থানীয় লেখক কবিদের সাথে বাংলা সাহিত্যের প্রতিষ্ঠিত প্রথিতযশা  কবি সাহিত্যিকদের রচনাও যথাযোগ্য মর্যাদায় প্রকাশিত হতো ।
     ডাক্তার অরুণ বসু সাহিত্য রসিক অত্যন্ত সজ্জন মানুষ ।তাঁর মনের কোণে সর্বদা জিইয়ে রাখতেন সাহিত্যের রসধারা।সেই রস রসদ হিসেবে সঞ্চারিত হতো উৎসুক জনের হৃদয়ে।অরুণ বসুর সম্পাদনায় বসুধারার বিভুপ্রসাদ বসু সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল বিভুপ্রসাদ এর প্রয়াণের পর ।সম্পাদনায় সহযোগিতা করেছিলেন দীপক হালদার এবং রফিক উল ইসলাম ।
                             একবার তো ডাক্তার অরুণ বসু তাঁর বাড়ির পাশের মাঠে সম্পূর্ণ নিজের খরচে দুদিন ধরে রবীন্দ্র স্মরণ ,তৎসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সাহিত্য আলোচনার ব্যবস্থা করলেন।যা সেসময় বিশেষ উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছিল। সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে এইসব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অক্সিজেন জোগায় ।মনে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে ।পথের রেখা তৈরি হয় নিত্য নতুন ।
                            কবি বাসুদেব দেব যতদিন ডায়মন্ডহারবারে ছিলেন ততদিন ডায়মন্ডহারবারে সাহিত্যচর্চার উন্মাদনা লক্ষ্য করার মতো ।প্রত্যহ সন্ধ্যায় তাঁর বাসায় যে সাহিত্যবাসর বসত সেখানে উপস্থিতি ঘটত আরও বিশেষ এক মানুষের ।তিনি অনিল দত্ত ।রাজনৈতিক কর্মী এই মানুষটির কন্ঠসম্পদ অসাধারণ ।সুন্দর আবৃত্তিতে একেকদিন ভরিয়ে তুলতেন সান্ধ্য সাহিত্য বাসর।সাহিত্য আলোচনাসভা অন্য এক মাত্রায় মাত্রায়িত হতো সেসময় ।ওই সভায় মাঝে মাঝে আসতেন অধ্যাপক সুনীলরঞ্জন বশিষ্ঠ ।রসায়ন তাঁর বিষয় হলেও সাহিত্যের রসাস্বাদনে সমান উৎসাহী ছিলেন তিনি ।কখনও কখনও ডাক্তার অরবিন্দ দাশ ।ডাক্তার দাশ রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন নিজের মতো ক'রে আন্তরিক স্বরে  ।স্বভাবতই ওই সমস্ত ঘটনাপ্রবাহ সাহিত্য পিপাসু মনে বিশেষ রেখাপাত করত,কল্পনার জগতে জাদু ছোঁয়ায় দোল লাগাত নবীন স্পন্দনের ।
                বাসুদেব দেব ডায়মন্ডহারবারে থাকাকালীন ডায়মন্ডহারবারে ম্যাজিসেট্রট হয়ে এলেন কবি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় ।'বাংলার মুখ' নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন তিনি ।যতদূর মনে পড়ে  তাঁর 'ভাবনায় সাম্প্রতিক শব্দাবলী 'নামেএকটি কাব্যগ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে তখন ।প্রকাশ পেয়েছে আরও একটি কবিতা গ্রন্থ 'বাবা দক্ষিণ রায়ের গুলগুলি চোখ '।কাব্যগ্রন্থের নামটি তাঁকে অনেকটা পরিচিতির আলোয় নিয়ে এলো।তাঁর প্রথম উপন্যাস 'সাইবেরিয়ার হাঁস' কাকদ্বীপে কর্মরত অবস্থায় লেখা ।উপন্যাসটি গীতা মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত রূপসা পত্রিকায়  প্রকাশিত হয়েছিল ।সে সংবাদ আমরা পেয়েছিলাম ডায়মন্ডহারবারেই,দেখেছিলাম পত্রিকাটি ,যেহেতু ডায়মন্ডহারবারে ছিলেন তিনি । তাঁর বসার ঘরে মাঝে মাঝে সন্ধ্যায় আড্ডা বসত আমাদের ।কবিতা পাঠ এবং আলোচনাও হতো ।বর্তমানে অবশ্য তাঁর উপন্যাসের সংখ্যা শতাধিক ।কাব্যগ্রন্থ,  উপন্যাস,রহস্য উপন্যাস,  গোয়েন্দা গল্পও গোয়েন্দা উপন্যাস,  রম্যরচনা, ভ্রমণকাহিনী,ছোটদের উপন্যাস ও গল্প, অনুবাদ সাহিত্য সমস্ত দিকেই তাঁর অবাধ বিচরণ ।এককথায় সব্যসাচী লেখক বলা যায় তাঁকে ।তপনদা অত্যন্ত সদাশয় মানুষ বলে পরিচিত ছিলেন ।তাঁর বাসায় আলোচনা সভায় স্থানীয়  কবি,গল্পকার ,ঔপন্যাসিকও থাকতেন ।তপনদা ডায়মন্ডহারবারে থাকাকালীন এসেছেন কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়,কবি অমিতাভ  দাশগুপ্ত। অমিতাভদার সাথে স্থানীয় কবি- সাহিত্যিকদের নুরপুরে যাওয়া, লঞ্চ ভ্রমণ এবং লঞ্চে কবিতা  পাঠ, অমিতাভদার গলায় রবীন্দ্রসঙ্গীত ও কবিতা পাঠ এক দারুণ অভিজ্ঞতা ।এসেছেন কবি শম্ভু রক্ষিত ।বড়ো স্মৃতিময় সেইসব দিন, দিনের ঘটনাপ্রবাহ ।
                           একবার এক সকাল বেলাতেই তপনদার বাসায় এসে হাজির হলেন কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় ।স্থানীয় ফৌজদারি কোর্টে ঢোকার মুখে জিলা পরিষদের বাংলোতে তাঁর থাকার ব্যবস্থা করলেন তপনদা ।তপনদা স্থানীয় কবি- গল্পকারদের ডেকে পাঠালেন সেখানে ।দুপুরে হাজির হলাম আমরা ।বিকেলে কলকাতায় ফেরার পথে স্টেশন বাজারে একটি ষাঁড়ের লেজ ধরে টানাটানি করতেই ষাঁড়টি ক্ষেপে গিয়ে বাজারের দোকানদারদের দোকানে ঢুকে পড়তেই তাঁরা শক্তিদার দিকে তেড়ে আসেন।কোনোক্রমে স্থানীয় দোকানদারদের থেকে রেহাই করে তাঁকে ট্রেনে যাবার কথা বলায় এবং তিনি সম্মতি জানানোয়  টিকিট  কাটা হ'লেও তিনি রাজি হলেন না ট্রেনে যেতে ।শেষে অনেক কর্মকাণ্ডের পর তাঁকে ছিয়াত্তর নম্বর বাসে তুলে দেওয়া হয় ।ভারী মজার সেইসব ঘটনা।
             এইসব ঘটনাপ্রবাহের প্রায় সম সময়ে ফুটফুটে এক তরুণ ডায়মন্ডহারবারে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ- এ অফিসার হিসেবে কাজে যোগ দিলেন ।নুনগোলাস্থিত ওই অফিসের কাছাকাছি ডায়মন্ড ক্লাবের উজ্জ্বলমুখ প্রণব রায় ওরফে বাবলু তাঁর সাথে আমাদের আলাপ করিয়ে দিলেন ।তরুণ অফিসারটির নাম গৌরীশংকর দে,কবিতা লেখা তাঁর নেশা ।ফলে তাঁর সাথে আমাদের ভাব জমে উঠতে দেরী হলনা ।গৌরীশংকর ডায়মন্ডহারবার থেকে প্রকাশ করলেন একটি অণু কবিতা পত্রিকা ।নাম 'অ্যাপোলো '।কয়েকটি সংখ্যার পরে বন্ধ হয়ে যায় অ্যাপোলো ।যতদূর মনে হয় গৌরীশংকর বদলি হয়ে গিয়েছিলেন অন্যত্র তাই পত্রিকা প্রকাশে বিরতি।
আটের দশকে ডায়মন্ডহারবারে পোস্টমাস্টার হয়ে এলেন আরেকজন সাহিত্য মনস্ক মানুষ, নাম পার্থ দাস।বামপন্থী পার্থ কবিতা এবং সাহিত্যপ্রেমী হওয়ায় তাঁর মধুর সঙ্গ পেতে থাকলাম আমরা ।প্রায়শই জুটতে থাকল তা।একবার পার্থর আয়োজনে ডায়মন্ডহারবার পোস্ট অফিসের ওপরে রিক্রিয়েশন ক্লাবঘরে সারারাত ধরে এক কবি সম্মেলন ও সাহিত্য আলোচনার ব্যবস্থা হয়।
ডায়মন্ডহারবারে ছিলেন আরও এক বয়োজ্যেষ্ঠ কবি ব্যক্তিত্ব, নাম রবি চক্রবর্তী ।বাম আদর্শে বিশ্বাসী এই মানুষটির সরল সহজ জীবনযাপন এবং ব্যবহারে আমরা অনুজরা মুগ্ধ ও খুশি হতাম ।ওইসময়ে বোধকরি ডায়মন্ডহারবারে গণতান্ত্রিক লেখক কলাকুশলী সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।পার্থ দাস সহ আমরা অনেকেই ওই সংস্থার সাথে যুক্ত হই।পরে কেন সে যোগাযোগ ছিন্ন হলো মনে পড়েনা।তবে ওসময়ে একটা অনাস্বাদিত উত্তেজনা কাজ করত ভিতরে ভিতরে ।
                      কখনও কখনও কলকাতা থেকে আসতেন কবি মানস রায়চৌধুরী,  কাকদ্বীপ থেকে আসতেন কবি সামসুল হক,  কাকদ্বীপে বি ডি ও থাকাকালীন কখনও কখনও আসতেন কবি তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, কখনো বা মেদিনীপুর থেকে কবি সম্পাদক  মদনমোহন বৈতালিক,কবি শ্যামলকান্তি দাশ, কবি রতনতনু ঘাটি,কবি শোভন মহাপাত্র,   অনুরাধা মহাপাত্র প্রমুখ বিশিষ্টজন ।আসতেন কবি  ওয়াজেদ আলি, কবি পূর্ণচন্দ্র মুনিয়ান, কবি ইন্দ্রনীল দাস,কবি পূর্ণেন্দু ভরদ্বাজ । আর আমরা  ডায়মন্ডহারবারের কয়েকজন তাঁদের সঙ্গসুধা পান করতাম গভীর আনন্দে,  সুগভীর একাত্মতায়। সে এক অভিনব আনন্দদায়ক সম্মিলন, এক আশ্চর্য সময় ।মনে পড়লে মন রোমাঞ্চিত হয়,কত সুন্দর স্মৃতিবহ ঘটনা জড়ো হয় চোখের সামনে । আশ্চর্য এই, আজ এতো বছর পরেও সেসব ঘটনা  সমান প্রাণবন্ত, সমান উজ্জ্বল ।সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে এসবের মূল্য অসামান্য ।


ছবি  : বিধান দেব 

1 টি মন্তব্য: