দ্বিতীয় আচার্য হুইকে : এক নাছোড়বান্দা সন্ধিৎসু
হুলিয়া দেখলে আর যা জন্মাক, ভক্তি-শ্রদ্ধা যে জন্মাবে না সে বিষয়ে সংশয় না-রাখাই ভালো। দশাসই চেহারা, যেমন লম্বা তেমন চওড়া ; মাথার সামনের দিকে চুল নেই প্রশস্ত ললাট, মুখময় গোঁফদাড়ির জঙ্গল ; লাটিমের মতো অক্ষিগোলক— সবমিলিয়ে একেবারে বীভৎস রসের সমাহার। এহেন মূর্তিমান বিভীষিকাকে কেই বা ঘাঁটাতে চাইবে! এমন চেহারার সুবিধা এই যে, কখনও হাতাহাতির প্রয়োজন পড়ে না, খুব বেশি হলে একটা হুংকারই যথেষ্ট। শাওলিন মঠের সন্ন্যাসীরা প্রথমে ভেবেছিল নিছক খ্যাপাটে ভবঘুরে হবে বোধহয় ; কিন্তু পরে বুঝল এই উদ্ভট-হুলিয়ার আগন্তুককে মাপার মতো পর্যাপ্ত ফিতে তাদের নেই। কয়েক মুহূর্তেই তাদের মুখগুলি অশালীন মুখরতা হারিয়ে ম্লান ও জবুথবু হয়ে পড়ে। এক অভূতপূর্ব সমীহের ভারে তারা ন্যুব্জতার আড়াল নিতে বাধ্য হয়। আগন্তুক আর কেউ নয় বোধিধর্ম, পাঠক আপনি তা ইতোমধ্যে বুঝে গেছেন। বোধিধর্ম, শাওলিন মঠে গিয়েছিলেন বুদ্ধভদ্রের স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য। অতঃপর মঠ থেকে বেরিয়ে কিছু দূরে পেলেন একটি মনোমতো গুহা। ব্যাস, ধ্যানে বসে গেলেন , তবে একটু অদ্ভুতভাবে গুহার দেয়ালের দিকে মুখ করে। অচিরেই সেই অত্যাশ্চর্য ধ্যানের কথা বহুদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ল। অত্যুৎসাহী কেউ কেউ বিরক্ত করতে বা আলাপ জমাতে গিয়ে যারপরনাই ব্যর্থ হল। আসলে তাঁর মুখ কেউ দেখতে পাচ্ছে না। তিনি তো গুহার দরজার দিকে পিছন ফিরে বসে আছেন! তিনি ধ্যানাসীন না এমনি বসে আছেন, বিরস বদনে না প্রসন্ন বদনে আছেন, বোঝার কোনও উপায় নেই। দর্শনার্থীদের ভিড় কমতে কমতে প্রায় বিরল হয়ে যায়। বোধিধর্ম কি কারও জন্য অপেক্ষা করছিলেন! কোনও নথি এর কোনও উত্তর দেয় না। তবে আমাদের মনে হয়, তিনি অবশ্যই যোগ্য উত্তরসূরির সন্ধানে ছিলেন। কারণ গুরুবাদী ধারায় উপযুক্ত উত্তরসূরির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কথায় বলে— গুরু মিলে লাখে লাখ, শিষ্য মিলে এক । সেই অলোকসামান্য শিষ্যের সন্ধানে সদগুরু তো জীবনপাত করবেন, যার হাত ধরে গুরুর কাছ থেকে পাওয়া ধারাটি অনন্তকালের দিকে এগিয়ে যাবে। এক-দু বছর নয় বোধিধর্মকে নয় বছর অতিবাহিত করতে হয়েছে উপযুক্ত আধারের সন্ধানে।
বয়স চল্লিশ ছুঁইছুঁই। কিন্তু বয়সকে নিছক বয়ে যেতে দেননি শেন কুয়াং। জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই জ্ঞানানুসন্ধানকেই জীবনের ব্রত হিসাবে বেছে নিয়েছেন তিনি। একদিনও হেলায় না-হারিয়ে প্রকৃত গুরুর সন্ধানে হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন মঠে-মঠে।হেনান প্রদেশের হুলাও নগরের এক সাধারণ পরিবারে ৪৮৭ খ্রিস্টাব্দে তাঁর জন্ম। অধিকাংশ ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের মতো কুয়াং-এর জন্মবৃত্তান্তও অলৌকিকতামণ্ডিত। তাঁর বাবা-মা সন্তানলাভের কামনায় বুদ্ধের কাছে প্রার্থনা শুরু করেন। একদিন রাতে তাঁরা শয়নকক্ষে এক অপার্থিব জ্যোতি লক্ষ করেন। আর কয়েকদিন পরে বুঝতে পারেন তাঁদের পরিবারে এক নতুন অতিথির আগমন ঘটতে চলেছে। পুত্রসন্তান জন্ম নিলে তাঁরা নাম রাখলেন— কুয়াং অর্থাৎ আলো। বাল্যকাল থেকেই কুয়াং আপনভোলা প্রকৃতির। কৈশোরে পৌঁছে সে গান গাওয়া, কবিতা লেখায় দক্ষ হয়ে ওঠে। গৃহস্থালির কাজকর্মের থেকে তার কাছে বেশি প্রাধান্য পায় ভ্রমণ ও পুথিপাঠ। পাহাড়-পর্বত ও নদীর সান্নিধ্যে থাকতে তার ভালো লাগে। প্রকৃতির পরতে পরতে সে যেন কীসের অনুসন্ধানে ব্যাপৃত থাকে। পারিবারিক এমন কোনও ঐতিহ্য বা আভিজাত্য তার উপর বর্তায়নি যা তাকে অসাধারণ করে তুলতে পারে। কেবল সুতীব্র এক জীবনজিজ্ঞাসার তাড়নায় বেদম ছুটতে ছুটতে সেই কিশোর যৌবনের সীমায় পৌঁছে, কখন যে অসাধারণত্বের মহিমায় উন্নীত হয়েছিলেন তা নিজেও বুঝতে পারেননি। সমকালীন চিনের প্রায় সমস্ত ধর্মীয় ধ্যানধারণা যাচাই করে বেড়িয়েছেন কুয়াং। তাওবাদ, কনফুসিয়সবাদ, পরম্পরিত বৌদ্ধ মতবাদ সবকিছু তন্নতন্ন করে খুঁজে দেখেছেন কোথায় লুকিয়ে আছে পরমসত্য। কথায় বলে— যে খায় চিনি/ তাকে যোগায় চিন্তামণি । খোঁজ আন্তরিক হলে অধরও ধরা দেন। আর আলোকাভিসারী গুরু তো দেহ-বর্তিকা জ্বালিয়ে বসে থাকবেন! তাঁর দায় তো আর ন্যালাখ্যাপা গুরুদের মতো নাম,কাম বা অর্থের নয়, তাঁর দায় জগৎ ও জীবনের প্রতি। এই মহৎ পারমার্থিক দায় থেকে নিস্তার পাওয়ার এক এবং অদ্বিতীয় পথ হল, একটি যথার্থ বর্তিকা যথাসময়ে প্রজ্বলন করে দেওয়া। শিষ্যও যেমন যথার্থ গুরুকে খুঁজে চলেন, গুরুও তেমন যথার্থ শিষ্যকে খুঁজে চলেন— গুরুবাদের এ এক মরমী লীলা! তাহলে কী বোধিধর্ম এত পথ পাড়ি দিয়ে কুয়াং-এর জন্যই চিনে পৌঁছেছিলেন এবং কুয়াংও অনুসন্ধিৎসু মন নিয়ে বোধিধর্মের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলেন! বিষয়টা এমনভাবে দেখে ফেলতে পারেন নিয়তিবাদীরা। বস্তুনিষ্ঠ দিক থেকে দেখলে ঘটনা কিন্তু এইটুকু বোধিধর্ম ও কুয়াং-এর দেখা হওয়া। যতটা সহজে দেখা হওয়া লিখে ফেললাম বিষয়টা কিন্তু ততটা সহজ ছিল না।
বোধিধর্মের দেয়ালমুখো ধ্যানের খবর পেয়ে কুয়াং আর দেরি করেননি। ভেবেছিলেন সেই আশ্চর্য সন্ন্যাসীর সঙ্গে বাক্যালাপ করে পথশ্রমের ক্লান্তি দূর করবেন। বাক্যালাপ তো দূরের কথা মুখদর্শনই করতে পারছেন না। তাহলে কী তাঁর এত ব্যাকুলতা, এত আকুতি সব বিফলে যাবে ! কুয়াং, এত সহজে হাল ছাড়ার পাত্র নন। বোধিধর্মের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য টুকরো টুকরো কথা হাওয়ায় ভাসিয়ে দেন, যেগুলি আসলে তাঁর অকৈতব হৃদয়ের প্রতিভাস ছাড়া অন্য কিছু নয়। কিন্তু কথাগুলি আদৌ উদ্দিষ্ট ব্যক্তির কর্ণকুহরে প্রবিষ্ট হচ্ছে কিনা বা হলেও তাঁর মনে প্রভাব ফেলছে কিনা তা বোঝার উপায় নেই। মুখ দেখার উপায় বন্ধ, তিনি তো দেয়ালমুখো ধ্যানে বসেছেন! এদিকে ঋতুচক্রে হেমন্তের বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে, শুরু থেকেই শীত তার শানিত দাঁতের কামড় বসাতে শুরু করেছে। দিনের বেলাটা তবু সহ্যসীমায় থাকে, কিন্তু সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় তুষার-পতন। এক-কোমর তুষারের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকেন কুয়াং। মন্ত্রের মতো উচ্চারণ করেন প্রাণের আকুতি। শেষমেশ চূড়ান্ত এক সিন্ধান্ত গ্রহণ করেন কুয়াং। কোমর থেকে তলোয়ারখানা খুলে ডান হাতের বজ্রমুষ্টিতে তা ধারণ করেন। তারপর এক কোপে কেটে ফেলেন নিজের বামহাতখানা। অতঃপর কাটাহাতটি বোধিধর্মের মাথার উপর দিয়ে তাঁর সামনে ছুড়ে দেন। দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে হাতটি গিয়ে পড়ে ধ্যানমগ্ন বোধিধর্মের কোলের উপর। তিনি বুঝতে পারেন তাঁর পিছনে যিনি দাঁড়িয়ে আছেন, তিনি নিছক উপেক্ষার পাত্র নন। বোধিধর্ম ধ্যান ছেড়ে উঠলেন। কুয়াংকে বললেন—
বলুন, আপনি কেন আমার সঙ্গে বাক্যালাপের জন্য এতটা ব্যাকুল হয়ে উঠেছেন ?
কুয়াং— আমার মনটাকে কিছুতে শান্ত করতে পারছি না প্রভু ! আপনি দয়া করে আমার মনটাকে শান্ত করে দিন।
বোধিধর্ম— দিন তো দেখি আপনার অশান্ত মনটাকে, আমি এখনই তাকে শান্ত করে দিচ্ছি।
কুয়াং— প্রভু আমি তো তাকে খুঁজেই পাচ্ছি না।
বোধিধর্ম— আরে পাবেন কী করে আমি তো তাকে শান্ত করে দিয়েছি।
কুয়াং, এই প্রথম এক অপার শান্তির রাজ্যে প্রবেশ করেন। তাঁর যাবতীয় অনুসন্ধিৎসা এই অদ্ভুত-দর্শন আগন্তুকের সামনে এসে থমকে দাঁড়ায়, সমূহ জিজ্ঞাসার উত্তর নিয়ে যেন বসে আছেন এই মহাজন। বোধিধর্ম কুয়াংকে দিলেন এক নতুন নাম—– হুইকে, যার অর্থ চৈতন্য।
হুইকের এই তলোয়ার দিয়ে হাত কেটে গুরুকে নিবেদন করার প্রসঙ্গ রোমাঞ্চকর বলে বহুচর্চিত। তবে ভিন্ন একটি তথ্যও পাওয়া যায়, তথ্যটি সাধুজীবনী (Hagiography)-র সঙ্গে সংগতি রাখতে না-পারায় তাকে বেমালুম গায়েব করার প্রচেষ্টা লক্ষ করা যায়। বস্তুনিষ্ঠ সেই তথ্যটি হল, বোধিধর্মের সঙ্গে সাক্ষাতের অনেক আগেই ডাকাতদের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে কুয়াং তথা হুইকে তাঁর বামহাতটি হারিয়েছিলেন। সম্ভবত, হুইকের বামহাত না-থাকাকে মহিমান্বিত করে তোলার জন্য অত্যুৎসাহী কোনও রচয়িতা এমন রোমহর্ষক আখ্যান বুনে থাকবেন। আর সাধুজীবনী লিখতে বা পড়তে গিয়ে কে আর যুক্তিনিষ্ঠ থাকতে চায়!
বোধিধর্ম, চিনতে ভুল করেননি। হুইকে ছিলেন প্রকৃত অর্থে পণ্ডিত ও পরিশীলিত মনের মানুষ। তবে পাণ্ডিত্যের বোধ থেকে পুরোপুরি মুক্ত। হুইকে বোধিধর্মের সঙ্গে প্রায় ছয় বছর ছিলেন।এইসময় তিনি গুরুর কাছে লঙ্কাবতার সূত্রের পাঠ নিয়েছেন, শিখেছেন ধ্যানের খুঁটিনাটি ; একটি হাত নিয়ে গুরুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে কুং ফু চর্চাও করেছেন নিয়মিত। একদা বোধিধর্ম, উত্তরসূরি বেছে নেওয়ার তাগিদ অনুভব করেন। তিনি প্রিয় শিষ্যদের বোধ ও বোধি বিচার করে শেষমেশ হুইকের হাতেই চীবর ও ভিক্ষাভাণ্ড তুলে দেন। বোধিধর্মের ভারতে ফেরার পরে বা তাঁর মৃত্যুর পর হুইকে মতাদর্শ প্রচারে মন দেন। নথি অনুযায়ী হুইকে বোধিধর্মের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ৫২৮ খ্রিস্টাব্দের হেমন্তকালে। আর ৫৩৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে তিনি উত্তরের ওয়েই রাজ্যের এদু (Yedu) নগরে বসবাস শুরু করেন। এইসময় উত্তরের ওয়েই রাজ্য ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দাঙ্গাহাঙ্গামায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। হুইকে তাঁর প্রথাবিরুদ্ধ মতবাদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বৌদ্ধদের চক্ষুশূল হয়ে পড়েছিলেন। আক্রান্তও হয়েছেন কয়েকবার। সুতরাং এদুতে থাকা যে আত্মহননের সামিল তা আর বুঝতে বাকি থাকে না। হুইকে, এদু ত্যাগ করে ইয়াংসি নদীবিধৌত দক্ষিণ আনহুই (Unhui) প্রদেশের এক গোপনডেরায় থেকে মতাদর্শ প্রচার করে যান। সেখানেও তাঁর অনুসারী জুটে যায়। একদা এখানেই তাঁর সঙ্গে পরিচিত হন জনৈক ভবঘুরে ব্যক্তি পরবর্তীকালে যিনি সেং সান (Seng Tsan) নাম নিয়ে তৃতীয় আচার্যের পদে অভিষিক্ত হবেন।
দীর্ঘদিন অজ্ঞাতবাসের পর ৫৭৯ খ্রিস্টাব্দে হুইকে এদুতে ফিরে আসেন।এবার তাঁর অনুসারীও অনুগামীদের সংখ্যা এমন দাঁড়ায় যে, তা দেখে ধর্মজীবীরা ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েন। তাও হেং (Tao heng) নামের জনৈক ধর্মগুরু হুইকেকে হত্যার জন্য পেশাদার খুনি নিয়োগ করেন, কিন্তু হুইকের কথাবার্তায় সে এমন মোহিত হয়ে পড়ে যে, শেষে ক্ষমা চেয়ে ফিরে আসে। আসলে হুইকে তাঁর অকপট বক্তব্য ও অকৈতব জীবনচর্যার জন্য সাধারণ মানুষের আপনার জন হয়ে উঠেছিলেন। তিনি পানশালা, কসাইখানা সর্বত্রই যাতায়াত করতেন।কখনও মজুরদের সঙ্গে বসেও আড্ডা দিতেন। কোনও ছুতমার্গের ধার ধারতেন না। একবার কোনও এক উৎসবের সময় হুইকে কুয়াংকিউ(Kuangqiu) মঠের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখছিলেন। মঠের ভিতরে সেইসময় অধ্যক্ষ বিয়ানহে (Bianhe) নির্বাণসূত্র নিয়ে ভাষণ দিচ্ছিলেন।উপস্থিত শ্রোতৃমণ্ডলী যখন বুঝতে পারল, মঠের বাইরে হুইকে বক্তব্য রাখছেন, তখন তারা দল বেঁধে হুইকের চারদিকে ভিড় জমাল। বিয়ানহে নগরপালের কাছে হুইকের নামে ধর্মদ্রোহিতার অভিযোগ জানালেন।৫৯৩ খ্রিস্টাব্দে একজন একশ ছয় বছরের নিরপরাধ মানুষের মুণ্ডচ্ছেদ করা হল। চ্যানধারার তিনিই প্রথম শহিদ।
তথ্যসূত্র :
১. ZEN MASTERS OF CHINA : THE FIRST STEP EAST
BY RECHARD BRYAN MC DANIEL; TUTTLE PUBLICATION, TOKYO/ VERMONT/ SINGAPORE.
২. TRANSMISSION AND ENLIGHTENMENT IN CHAN BUDDHISM SEEN THROUGH THE PLATFORM SUTRA BY MORTEN SCHLUTTER ; TAIPEI CHUNG – HWA INSTITUTE OF BUDDHIST STUDIES
৩. ZENS CHINESE HERITAGE BY ANDY FERGUSON ; WISDOM PUBLICATION, BOSTON
৪. THE ILLUSTRATED ENCYCLOPEDIA OF ZEN BUDDHISM BY HELEN J. BARONI ; THE ROSEN PUBLICATION GROUP , NEW YORK
৫. ZEN BUDDHISM : A HISTORY VOLUME 1 INDIA AND CHINA BY HEINRICH DUMOULIN ( TRANSLATED BY J.W. HEISIG AND P. KNITTER ) MACMILAN PUBLISHING COMPANY
৬. ZEN AND ZEN CLASSICS ( VOLOUME-1) BY R.H.BLYTH, THE LIOKUSEIDO PRESS. TOKYO.
ছবি : বিধান দেব

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন