ঠোঁট
মেধাবী কুয়াশারা আনে অক্ষরের ঝড় ।
স্তম্ভিত সম্পর্কের মাঝে কথারা যখন অস্পষ্ট,
অক্ষর কি পারে তাকে জীবন্ত করতে? কপাট
বন্ধ হলে খোলা দায় বড়। ঝিকিমিকি বেলায়
উদবাস্তু পাখির ডাকে ঘর ছাড়ে মন, মনে হয়
নিজে হাতে তুলে আনি প্রেমিকের ঠোঁট, চুম্বনে
মাতাল হই বেলাশেষের অনুমেয় অস্ত -অনুরাগে
শূন্য
আয়ুস্রোতে আর্তনাদের সুর
একটা শূণ্য খাঁচা যেন দুলছে।
এক লহমায় পূর্ণ থেকে শূণ্য।
টের পায়নি নিষ্পত্র গাছ ও।
শুরুর শেষ কিংবা শেষের শুরু
জানেনা দখিনা বাতাস বা আগ্নেয়গিরি।
ভোর
অতিক্রান্ত পাপ বড় নির্মম।
ঘুমে জাগরণে তার কপট যাপন।
কিশোরীর স্নিগ্ধ চোখ ঘৃণা করে তাকে।
ঘৃণা করে জ্যোৎস্নার কবিতারা। যূথচারী
হরিণের দল পার হয় পঙ্কসাগর,তবু্ও কী
নিষ্পাপ তারা! শ্বাপদের ক্রুরতা তাকে অসহায়
করে,তবু্ও সে জাগে অন্তিম নিষ্কলুষতায়।
মানুষেরও থাক এই প্রণয়! পৃথিবীর প্রতি কোণে
ছড়িয়ে পড়ুক অপাবৃত হাত, তবেই শুশ্রুষা,
তবেই জেগে উঠবে চিন্ময়ী ভোর।
ছবি: বিধান দেব

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন